আম্বানির বাড়ির পরিচারিকাদের বেতন শুনলে কর্পোরেটরে কর্মীরাও লজ্জা পায়

12
আম্বানির বাড়ির পরিচারিকাদের বেতন শুনলে কর্পোরেটরে কর্মীরাও লজ্জা পায়

এক কথায় বলতে গেলে ভারতের ধনকুবের বলা হয় মুকেশ আম্বানিকে, যিনি শুধুমাত্র যে একজন ধনী ব্যক্তি তা কিন্তু নয় সাথে দেশের অন্যতম এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাঁর পরিবার রাজপরিবারের থেকে কম কিছু নয়। মুকেশ আম্বানির মুম্বাইয়ের অ্যান্টিলিয়া নামের একটি বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করেন এবং সেই বাড়িটা মনে করা হয় যে সবথেকে বিশ্বের দামি বাড়ি।

এই বাড়ির অন্দরমহল দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মত। এই প্রতিবেদনে আমরা ধনকুবের আম্বানির অন্দরমহলের কিছু গল্প বলব যেটা শুনলে স্বাভাবিকভাবেই বড় বড় কর্পোরেটরে চাকরি করা কর্মকর্তারাও লজ্জা পেয়ে যাবেন, কারণ যারা হোম সার্ভিসের জন্য রয়েছেন তাদের যদি বেতন শোনা যায় তাহলে সত্যিই কর্পোরেটরে চাকরি করা কর্মীরা সত্যিই লজ্জা পাবে।

মুকেশ আম্বানি নিরামিষাশী তিনি মাছ মাংস ডিম কিছুই খান না বাবুর্চিদের সব সময় বলেন নিরামিষ খাবারের ওপরই ধ্যান জ্ঞান দিতে অ্যান্টিলিয়া বাড়িতে যে বাবুর্চিরা কাজ করে তাদের ওপর নির্ভর করছে আম্বানি পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যর ব্যাপার সমস্ত খাবারের গুণগত মান বজায় রেখে রান্না করা হয়।

যাদের ওপরেই রান্নার কাজটি রয়েছে তারা অবশ্যই সাধারণ মানুষ নন, কারণ আম্বানি পরিবারের যে কোন চাকরি পাওয়ার জন্য যোগ্যতা লাগে, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে অ্যান্টিলিয়াতে প্রবেশ করা যায়। একবার যদি এই প্রবেশদ্বারে ঢোকা যায় তবে যে কারোর ভাগ্য বদলে যেতে পারে।

তবে আম্বানি পরিবারে চাকরি পেলে যে শুধুমাত্র মোটা বেতন পাওয়া যাবে তা কিন্তু নয়, তার সাথেও পাওয়া যাবে অনেক সুযোগ সুবিধা। বর্তমানে অ্যান্টিলিয়াতে কাজের জন্য রয়েছেন ১০০০ জন চাকর, যাদের বেতন লক্ষাধিক। খাবার যারা প্রস্তুত করেন তাদের প্রত্যেক মাসের বেতন ২ লক্ষ টাকা। এটা জানলে ভীষণ অবাক হবেন যে, আম্বানি পরিবারে যেকোনো কাজ যারা করেন তারা প্রত্যেকেই বিদেশ থেকে পাস করা।