সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হওয়ায় আরও একবার পর্যটকদের জন্য খুলে গেল তাজমহলের দরজা!

5
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হওয়ায় আরও একবার পর্যটকদের জন্য খুলে গেল তাজমহলের দরজা!

পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকালেই যেন মনে পড়ে যায় আরো একটি অপূর্ব স্থাপত্যের কথা। পূর্ণিমার রাতে সেই স্থাপত্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ ফেরানো যায় না। দুচোখ ভরে তার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ইচ্ছা করে বারবার। কথা বলছি পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম আশ্চর্য তাজমহলের। রাতের আলো আঁধারিতে তার রূপ যে কতখানি সুন্দর তা যে দেখেছে সেই জানে। কিন্তু এই রূপ দেখার জন্য গত বছর ধরে বঞ্চিত হয়েছেন বহু মানুষ।

কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে না হতেই আরো একবার পর্যটকদের জন্য খুলে গেল তাজমহলের দরজা। গত শনিবার থেকে সমস্ত নিয়ম বিধি বজায় রেখে খুলে গেল তাজমহলের দুয়ার। গত বছর থেকেই লকডাউনের কারণে বন্ধ ছিল সপ্তমাশ্চর্যের দরজা। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হওয়ার পর এবার পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো তাজমহল ওরফে আশ্চর্য স্মৃতিসৌধ।

শনিবার রাতে তাজমহল প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার পর অনেক মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেছেন তাজমহলের সামনে। উচ্ছ্বসিত এক পর্যটক জানিয়েছেন, প্রায় এক বছরের বেশি সময় পরে আমরা তাজমহল দেখার সুযোগ পেলাম। চাঁদের আলোয় এই স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখার অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা।

অন্য এক পর্যটকের কথায়, বহুদিন ধরে রাতে তাজমহল দেখার ইচ্ছা ছিল। ইচ্ছে অবশেষে পূরণ হলো। সত্যি নিজেকে ভাগ্যবান বলতে ইচ্ছা করছে।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফ এ বসন্ত কুমার স্বর্ণকার জানিয়েছেন, সমস্ত নিয়ম বিধি মেনেই পর্যটকদের জন্য রাতের বেলায় খুলে দেওয়া হলো তাজমহলের দরজা। প্রবেশ পথে শরীরের তাপমাত্রা দেখে নেওয়া হচ্ছে, করা হচ্ছে হাতে স্যানিটাইজ। মাক্স পড়ে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সকলে তাজমহল দর্শন করতে আসছেন। রাত সাড়ে আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয়েছে এই দরজা। মোট তিনটি ব্যাচে ভাগ করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের।
প্রত্যেক ব্যাচে থাকছেন ৫০ জন। তবে সপ্তাহে আপাতত তিনদিন খুলছে তাজমহল। পূর্ণিমার রাতে যদি এই অসম্ভব সুন্দর দৃশ্য দর্শন করতে চান তাহলে আর দেরি করবেন না, এখনই পাড়ি দিয়ে দিন দিল্লির উদ্দেশ্যে।