দেশবাসী এখন বাড়িতেই করোনা ভ্যাকসিন তৈরির খোঁজ করছে গুগলে

6
দেশবাসী এখন বাড়িতেই করোনা ভ্যাকসিন তৈরির খোঁজ করছে গুগলে

বিগত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সারাবিশ্বে দাপটের সঙ্গে বিরাজ করছে করোনা। এতদিন ধরে করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে দিন গুনছিলেন সাধারণ মানুষ। গত বছরের শেষ ভাগেই তাদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এসে গিয়েছে। চলতি বছরের ১৬ই জানুয়ারি থেকেই ভারতে গণহারে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তবুও যেন আশঙ্কা কাটতে চাইছে না।

ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন এবং সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দুটি ব্যবহারের ছাড়পত্র মিলেছে ভারতে। তবে কোভ্যাকসিন নিয়ে ইতিমধ্যেই নানান জল্পনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, এই ভ্যাকসিনের সমস্ত ট্রায়াল’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তাই এখন গণহারে কো-ভ্যাকসিন নেওয়া মানেই ট্রায়ালের শেষ পর্যায় অর্থাৎ হিউম্যান ট্রায়ালের অন্তর্ভুক্ত হওয়া। ঠিক এই কারণেই অনেকে ভ্যাকসিন নিতে চাইছেন না।

তবে সরকার এবং বিশেষজ্ঞ মহলের তরফ থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত ভ্যাকসিনের প্রতি সন্দেহ থাকলেও মানুষ এখনো অধীর আগ্রহে কার্যকরী করোনা ভ্যাকসিনের খোঁজ করে চলেছেন। সম্প্রতি একটি সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গেল, মানুষ এখন ভ্যাকসিনের খোঁজে গুগলের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাও আবার রীতিমতো “ঘরোয়া পদ্ধতিতে করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন” এর খোঁজ চলছে! বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে গুগল সার্চে ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে “হাউ টু মেক করোনা ভ্যাকসিন অ্যাট হোম!”

ভারতে গণহারে টিকাকরন পদ্ধতি শুরু হওয়ার দুইদিনের মধ্যেই দেশের প্রায় ২,২৪,৩০১ জন মানুষকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে থেকে অবশ্য মাত্র ৪৪৭ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। এর মধ্য থেকে তিনজনকে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে বারংবার আশ্বাস প্রদান করা হচ্ছে, করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।