নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করায় মমতাকে নোটিশ পাঠালো কমিশন

4
নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করায় মমতাকে নোটিশ পাঠালো কমিশন

সাম্প্রদায়িক ভাবে ভোট চাওয়ার অভিযোগে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নোটিশ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি তারকেশ্বরে ভোট প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সেখানকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের একত্রিত হওয়ার বার্তা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের কাছে নালিশ করে বিজেপি। অভিযোগ পেয়ে কমিশন ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে জবাব চেয়ে পাঠিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মোখতার আব্বাস নাকভি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন মমতাকে যে নোটিশ পাঠিয়েছে সেখানে উল্লেখ করা রয়েছে, ধর্ম বা জাতের ভিত্তিতে কখনো ভোট প্রার্থনা করা যায় না। ভোটের জন্য মন্দির কিংবা মসজিদে আবেদন করাও যায় না।

কমিশনের নোটিশ অনুযায়ী, তারকেশ্বরের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করেছে। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১২৩(৩) এবং ৩এ ধারা লংঘন করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এর পরিপ্রেক্ষিতে মমতার ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন। উপযুক্ত ব্যাখ্যা না পেলে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও এই নোটিশ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি রাজনৈতিক জনসভায় বলেন, “আমি যদি এখন বলতাম সব হিন্দুরা একজোট হও, তাহলে আমার চুল ছিঁড়ে নেওয়া হতো! নির্বাচন কমিশন সাত দিনের জন্য আমার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করত। দেশের এমনকি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রেও এই খবর ফলাও করে ছাপানো হতো।” এর সঙ্গে তার সংযোজন, সংখ্যালঘুদের একত্রিত হয়ে তৃণমূলকে জেতানোর আবেদন করছেন মমতা। এর থেকেই স্পষ্ট, একুশের নির্বাচনে তিনি হারছেন।