রাজ্যে ট্রেন পরিষেবা শুরু হলে অপরাধ প্রবণতা যাতে না ঘটে সেই উদ্দেশ্যে রাজ্যের প্রশাসনকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী

10
The Chief Minister warned the state administration to prevent crime when train services start in the state

রাজ্যে ট্রেন পরিষেবা শুরু হলে, ট্রেন এবং স্টেশনে অপরাধীদের কার্যকলাপও শুরু হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে আগেভাগেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্রেনে চুরি-ছিনতাই প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। দীর্ঘ ছয় মাস ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পর, আবারো যখন রাজ্যে ট্রেন চলাচল শুরু হবে, তখন যাতে অপরাধ প্রবণতা রোধ করা যায় সেই উদ্দেশ্যে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তা অনুসারে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে দিয়েছে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন। রেল পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রেন এবং স্টেশনে অপরাধের সঙ্গে জড়িত পূর্ব চিহ্নিত অপরাধীরা বর্তমানে কোথায় রয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করা হচ্ছে। হাওড়া রেল পুলিশ সুপার এম কন্নান এ প্রসঙ্গে জানালেন, ট্রেনের সাথে জড়িত চিহ্নিত অপরাধীদের তথ্য জোগাড় করতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

স্টেশন চত্বরে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের পাশাপাশি মাদক মেশানো খাবার খাইয়ে যাত্রীকে সম্পূর্ণ বেহুঁশ করে দিয়ে তার সর্বস্ব নিয়ে চম্পট দেওয়ার মতো ঘটনাও আকছার ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর ছবিসহ লিস্ট বানিয়ে রাজ্যের প্রতিটি থানায় পাঠানো হয়েছে। এই সকল অপরাধীর উপর নজরদারি চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। পাশাপাশি, স্টেশন চত্বরে যারা চোরাই মাল পাচার চক্রের সাথে জড়িত তাদের উপরও নজর রাখছে পুলিশ।

বর্তমানে রাজ্যে যেসকল স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে, সেই ট্রেনের উপর নজর রাখতে রাত-দিন স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে সাদা পোশাকের পুলিশ। হাওড়া পুলিশ সুপারের মতে, ট্রেন চলাচল যখন আবার আগের মতো শুরু হবে, তখনই অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়বে। ইতিমধ্যেই, ট্রেন সংক্রান্ত অপরাধ রুখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। যেমন ট্রেনের টিকিট চুরি করা থেকে শুরু করে রেল সামগ্রী পাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে সফলতার সঙ্গে অপরাধী দমন প্রক্রিয়া চালাচ্ছে রেল পুলিশ।