শরীরের রোগ-ব্যাধি উপেক্ষা করেই জনসভায় অংশগ্রহণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী

35
শরীরের রোগ-ব্যাধি উপেক্ষা করেই জনসভায় অংশগ্রহণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী

একুশের বিধানসভা নির্বাচন শিয়রে। উক্ত নির্বাচনে রাজ্যের মানুষের প্রতিটি ভোট রাজ্য শাসকদলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একুশের লড়াইয়ে তৃণমূলের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী বিজেপি শিবির। একুশের লড়াইয়ে বিজেপিকে টেক্কা দিয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মসনদ ধরে রাখতে মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। তাই শরীরের রোগ-ব্যাধি, ক্লান্তি, আঘাত উপেক্ষা করেও জনসভায় অংশগ্রহণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আঘাতের দরুণ পায়ে তীব্র যন্ত্রণা নিয়েও বিগত বেশ কয়েক দিন যাবৎ হুইল চেয়ারে বসেই তৃণমূলের তরফ থেকে আয়োজিত রাজনৈতিক সভায় অংশগ্রহণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারও তার অন্যথা হয়নি। বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে তৃণমূলের তরফ থেকে আয়োজিত সভামঞ্চে অংশগ্রহণ করে এবার পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে ভোট প্রার্থনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের বাইরে যারা কাজ করতে গিয়েছেন, তারাও ভোটের জন্য অন্তত রাজ্যে ফিরে আসুন। কারণ রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের ভোটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিন ভোটের প্রচার চালাতে গিয়ে এনআরসি, এনপিআরের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে সমস্যায় পড়বেন রাজ্যবাসী, সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে তিনি এনপিআর চালু হতে দেন নি। এনআরসি-ও আটকাবেন তিনি। তার আমলে রাজ্যবাসীকে নাগরিকত্ব নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হবে না। সেক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভোট একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মন্তব্য করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই নির্বাচনের দিন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে ভোট দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।