বেতন বাকি থাকলে যেন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার কোনো ক্ষতি না হয়, বেসরকারি স্কুলকে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

14
বেতন বাকি থাকলে যেন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার কোনো ক্ষতি না হয়, বেসরকারি স্কুলকে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার জন্য বেসরকারি স্কুল গুলোকে কুড়ি শতাংশ বেতন কমানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু এই নির্দেশের পরেই বেসরকারি স্কুলগুলো দারস্হ হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের। এদিকে আবার বেতন বাকি থাকলে যেন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার কোনো ক্ষতি না হয় সেই নিয়ম আর্জি জানানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।

আর সেই আরজির আজ রায় জানালো কলকাতা হাইকোর্ট, যেখানে আদালতের তরফ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে বকেয়া ফি দিতে না পারলেও বন্ধ হবেনা ছাত্র-ছাত্রীদের পঠন-পাঠন। আজ শনিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে।

ডিভিশন বেঞ্চ এর তরফ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, যদি ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকেরা বেতন দিতে না পারে বা বেতন বকেয়া থাকে, তার জন্য যাতে কোনোভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের পঠন-পাঠনের উপর কোন প্রভাব না পড়ে। এই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত বার্তা দিতে হবে। বেসরকারি স্কুল গুলির বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অভিভাবকদের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তবে এবার হাইকোর্টের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যদি আগামীতে এই ধরনের অভিযোগ বেসরকারি স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে ফের ওঠে। তাহলে এর সঠিক ব্যবস্থা নেবে হাইকোর্ট।

বেসরকারি স্কুলগুলোর পক্ষ থেকে কেবলমাত্র বেতন বৃদ্ধি নয় সাথে অন্যান্য ক্ষেত্রেও ও স্কুল বাসের ভাড়া বৃদ্ধির কথা জানানো হয়। কিন্তু হাইকোর্টের তরফ থেকে শুনানির পড়ে স্কুলের ফি ও অন্যান্য বাবদ খরচ কমানোর কথা ঘোষণা করেছিল। আর এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বেসরকারি স্কুল গুলো। যার শুনানি আগামী পাঁচ এপ্রিল করা হবে। তবে তার মাঝখানে ফের এক নতুন আর্জি করেছিল অভিভাবক মহল, যার শুনানি আজ করলো দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।