স্ত্রীর নিত্য নতুন বায়না মেটাতে হীরের কারিগর থেকে হয়েছেন বাইক চোর, গ্রেপ্তার স্বামী

7
স্ত্রীর নিত্য নতুন বায়না মেটাতে হীরের কারিগর থেকে হয়েছেন বাইক চোর, গ্রেপ্তার স্বামী

সংসারী মানুষের চাহিদা প্রচুর। কিন্তু তাই বলে চুরি-ডাকাতি করে চাহিদা মেটানো নিশ্চয়ই সমস্যার সমাধান হতে পারে না। কিন্তু একদিকে করোনা, উপার্জন নেই, এমতাবস্থায় স্ত্রী যদি নিত্যদিনই নতুন নতুন বায়না নিয়ে হাজির হন, স্বামীর উপার্জন নেই জানা সত্ত্বেও তার চাহিদা দিন প্রতি দিন বাড়তেই থাকে, তাহলে চুরি ডাকাতি ছাড়া আর উপায় কী থাকে! এমনটাই ঘটেছে গুজরাটের সুরাটের এক হিরে ব্যবসায়ীর সঙ্গে।

সুরাটের উতরানের বাসিন্দা বলবন্ত চৌহান একসময় হীরের কারিগর ছিলেন। মাস গেলে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা অনায়াসেই উপার্জন করে নিতেন তিনি। কিন্তু লকডাউনের প্রভাবে তার কাজ চলে যায়। কিন্তু অবুঝ স্ত্রী পরিস্থিতি বুঝতে নারাজ। দিন প্রতিদিন তার চাহিদার মাত্রা বাড়তেই থাকে। এদিকে উপার্জনেরও কোনো রাস্তা নেই। বাধ্য হয়েই বাইক চুরির পথ বেছে নেন বলবন্ত।

পুলিশ সূত্রে খবর, লকডাউন পর্বে বলবন্ত ২০টিরও বেশি বাইক চুরি করেছেন। তবে লকডাউনের আগেও নাকি বেশ কয়েকবার বাইক চুরি করেছে সে। ২০১৭ সাল থেকেই সে এই কাজে হাত পাকাতে শুরু করে। ২০১৯ সালে সে নাকি চারটি বাইক চুরি করে। পুলিশ আরো জানিয়েছে, কাপোদারা, ভারাচা, আমরোলি এবং কাটাগ্রাম থেকে ৩০টিরও বেশি বাইক চুরি করেছে বলবন্ত।

হিরের দোকান বা শপিং মলের আশে পাশের অঞ্চল গুলিকেই টার্গেট করত সে। হীরের কারিগর হওয়ার দরুন সে জানতো কখন কোথায় গ্রাহকের সংখ্যা বেশি থাকে। আগেভাগে পরিকল্পনা করেই বাইক চুরি করতো বলবন্ত। পুলিশের কাছে নিজ মুখে তা স্বীকার করেছে সে। সাংসারিক চাহিদা মেটাতেই এমন কাজ করতে হয়েছে তাকে। তবে গত রবিবার বাইক চুরির দায়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বলবন্ত আপাতত পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন।