বারবিকিউ এ এক জন্ম দিনের অনুষ্ঠানকে আরও স্পেশাল করে তুলল বারবিকিউ এর স্টাফ, দেখুন ভিডিও

5
বারবিকিউ এ এক জন্ম দিনের অনুষ্ঠানকে আরও স্পেশাল করে তুলল বারবিকিউ এর স্টাফ, দেখুন ভিডিও

প্রতিটা মানুষের মধ্যেই প্রতিভা আছে এটা অনেকেই বিশ্বাস করেন, আবার অনেকে করেন না। যদিও তা নিয়ে মতবিরোধ আছে, কিন্তু যাই হোক আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় যা দেখতে পাই তাতে এটাই মনে হয়, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু প্রতিভা নিশ্চয়ই আছে।

কেউ পৃথিবীতে এমনি আসেনি কেউ পড়াশোনায় ভালো, তো কেউ নাচে ভালো, কেউ গান গায় ভালো, কেউ আঁকে ভালো, কেউ আবৃত্তি পাঠ করে ভালো, যে যার নিজস্ব মহিমায় জায়গাটায় খ্যাতি অর্জন করাটাই জীবনের মূল প্রাধান্য হওয়া দরকার ।

কিন্তু আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখি যে পড়াশোনাটা প্রাধান্য না পাওয়া মানে আর কিছুতেই যেন সে নিজের ক্যারিয়ার করতে পারবে না। এরকম একটা বদ্ধমূল ধারণা আমাদের এবং আমাদের চারপাশের সমস্ত লোকের মধ্যে এমনকি আমাদের বাবা-মার মধ্যেও দেখা যায়।

কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ঠিক নয় যাইহোক সম্প্রতি যে ভাইরাল হওয়া ভিডিও টা নিয়ে কথা বলব আমরা। সেটি হল, একজন বারবিকিউ এ কাজ করা এক সাধারন কর্মচারীর ঘটনা। ঘটেছে গুয়াহাটির একটি বার-বি-কিউ এ।

সেটি সোশ্যাল মিডিয়ার সামনে এনেছেন রাজম বরুয়া নামে এক ভদ্রলোক, যিনি তার ফেসবুক পেজে এটি ভিডিও করে আপলোড করেছেন। তারা কয়েকটি বন্ধু মিলে এক বন্ধুর বার্থডে সেলিব্রেট করতে গেছিল, অ্যাবসোলুট বারবিকিউ এবিসি গুয়াহাটিতে ।

সেখানের এক স্টাফ তাঁদের বার্থডে কে আরো একটু স্পেশাল করে দিয়েছিল, তার একটা অসাধারন নাচের পারফরম্যান্স দিয়ে। ছেলেটি অল্পবয়স্ক রোগা পাতলা গড়ন, একটি হিন্দি গানের সাথে তার নাচের পারফরম্যান্স আমরা ভিডিওটিতে দেখতেও পাচ্ছি। গানটি হলো “জারা জারা বেহেকতা হে মে হোতা হে আজ তু মেরা তান বদন”।

খুবই জনপ্রিয় একটি গান, এটির অনেক আপডেট ভার্সন বেরিয়েছে এখন। যাই হোক এই গানের সাথে তার যে নাচ, যা দেখে সবাই আশেপাশে থেকে যথেষ্ট উৎসাহিত, হাততালি দিয়ে তাকে আরো উৎসাহিত করছে ।

আর উৎসাহিত করবে নাই কেন? কারণ সে যে ডান্স পারফরম্যান্স করেছে, এতই নিখুঁত এত সুন্দর, প্রতিটা গানের শব্দের ব্যাখ্যা সে তার নাচের ভঙ্গিমায় বুঝিয়ে দিয়েছে প্রত্যেককে ।

যা একজন নৃত্যশিল্পী অনেক তালিম নিলে এত সুন্দর নাচতে পারে। প্রশিক্ষণহীন এত ভালো নাচে তা ভাবাই যায় না। ইতিমধ্যে ভিডিওটি প্রচুর প্রচুর লাইক করেছে মানুষ।

প্রচুর তাকে সংবর্ধনা প্রশংসা করেছে আর যার জন্মদিনেই পারফরম্যান্স টি দিয়েছে তার জন্মদিন টা আরেকটু বেশি ভালো হয়ে গেছে। তারা নিজেরাও খুব উচ্ছ্বসিত এরকম একটা পারফরম্যান্স পেয়ে, এগুলো উপরিপাওনা আর উপরিপাওনা জিনিস মানুষের স্বাভাবিক ভালোই লাগে।

কারন মানুষ এমনি ফ্রি পেলে মন এমনি ভাল হয়ে যায়। আমরা এটাই আশা রাখবো সোশ্যাল মিডিয়া যে, একটা শক্তপোক্ত প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে তাতে এই ধরণের প্রতিভারা নজরে পড়ুক সবার তাদের একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হোক।