২০৫০ এর মধ্যেই এক মিলিয়ন মানুষকে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকান সংস্থা স্পেসএক্স

8
২০৫০ এর মধ্যেই এক মিলিয়ন মানুষকে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকান সংস্থা স্পেসএক্স

লাল গ্রহ সম্পর্কে ক্রমেই মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। ভবিষ্যতে যাতে পৃথিবীর বাইরে মঙ্গল গ্রহেও মানব বসতি গড়ে তোলা যায়, সে সম্পর্কে আগ্রহী পৃথিবীর মানুষ। মহাকাশ বিজ্ঞানীরাও মঙ্গল গ্রহ মানুষের বসবাসের জন্য কতটা উপযুক্ত সে সম্পর্কে জানার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। এমতাবস্থায় বিশিষ্ট আমেরিকান সংস্থা স্পেসএক্স এর তরফ থেকে মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে নতুন তথ্য সম্প্রচার করা হলো।

স্পেসএক্স-এর সিইও জিনি শটওয়েল জানালেন, মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপন কোনো কিছু অসম্ভব ব্যাপার নয়। ভবিষ্যতে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অনায়াসেই এই কাজ সম্পন্ন করা যাবে। তিনি আরো জানিয়েছেন, স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ভবিষ্যতে পৃথিবীর পাশাপাশি মঙ্গল গ্রহে ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করতে চলেছে। এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে উভয় গ্রহের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্পেসএক্স-এর সিইও জানাচ্ছেন, মানুষ যখন মঙ্গল গ্রহে পৌঁছে যাবে তখন সেখান থেকে পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করা আবশ্যক হয়ে পড়বে। সেই সময়ে সংযোগ স্থাপনে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করবে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট। শুধু তাই নয়, স্পেসএক্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ২০৫০সালের মধ্যেই সংস্থার তরফ থেকে অন্তত এক মিলিয়ন মানুষকে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট ‌সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতিদিন তিনটি করে বিমান মঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। প্রত্যেক বিমানে প্রায় ১০০ জন যাত্রী থাকবেন। অর্থাৎ প্রতি বছরে প্রায় ১০০০টি করে উড়ান মঙ্গলের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, স্পেসএক্স সংস্থা তাদের আবিষ্কৃত রকেটের মাধ্যমে পৃথিবী মানুষকে মঙ্গলের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে মঙ্গলে বসতি গড়ে তোলা খুব একটা সহজ সাধ্য কাজ হবে বলে মনে করছেন না সংস্থার আধিকারিকেরা।