শিশুদের ছোটো থেকে শেখান এই অভ্যাস গুলি যা ভবিষ্যতে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে সাহায্য করবে

127
শিশুদের ছোটো থেকে শেখান এই অভ্যাস গুলি যা ভবিষ্যতে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে সাহায্য করবে

কথাতেই আছে, জীবনের প্রথম শিক্ষা পাওয়া যায় বাড়ি থেকে। স্কুলে বা কলেজে যাবার আগে একটি শিশু সকলের আগে শিক্ষা পায় তার বাবা-মায়ের কাছে। এই শিক্ষা তাকে ভবিষ্যতে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে সাহায্য করে। তাকে শেখায় যে কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে মানিয়ে চলতে হয়। জীবনে শুধু বেঁচে থাকলেই চলে না। প্রতিমুহূর্তে কিভাবে নিজেকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে চলে যেতে হয়, সেটাও জানতে হয় সঠিক ভাবে। সকলের সঙ্গে একসঙ্গে বেঁচে থাকার নামই জীবন। এই শিক্ষাই আমরা ছোটবেলা থেকে আমাদের শিশুদের দিয়ে থাকি।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা গেছে যে, যে সমস্ত শিশুরা ছোটবেলা থেকে ভালো অভ্যাস রপ্ত করে মানুষ হয়, তার ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত জীবন অথবা পড়াশুনা, সবকিছু সুন্দরভাবে বজায় রাখতে পারে। এর পাশাপাশি যেকোনো খারাপ পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়ে না তারা। তাই ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের মধ্যে কয়েকটি জিনিস অথবা অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। এই অভ্যেস যদি ছোটবেলা থেকে তাদের মধ্যে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে মোটা অংকের মাইনের চাকরি পাওয়া কঠিন ব্যাপার হবে না।

শেয়ার করা: ছোটবেলা থেকেই সকলের সঙ্গে সব কিছু ভাগ করে নেবার প্রবণতা জাগিয়ে তুলতে হবে শিশুর মধ্যে। যেহেতু এখন আমরা সকলেই নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি তে বেড়ে উঠি, তাই তাদের ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস থাকে না। তবে যদি এই অভ্যেস আমরা কোন ভাবে তাদের মধ্যে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে তাদের কোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে অসুবিধে হবে না। পাশাপাশি তাদের মধ্যে একটি আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে।

তিনটি শব্দ শেখানো: বাচ্চাকে সরি থ্যাঙ্ক ইউ অথবা প্লিজ বলা শেখাতে হবে ছোটবেলা থেকে। অনেক শিশু লজ্জা পায় এই সমস্ত কথা বলতে। এই জড়তা ভবিষ্যতে তাদের মধ্যে থেকে যায়। তাই ছোটবেলা থেকে তাদের মধ্যে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে বাবা মাকে। না হলে এই জড়তা ভবিষ্যতে তার ব্যক্তিগত জীবন এবং ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলতে পারে।

ভালো শ্রোতা: অনেকেই আছেন যারা কথা বলতে পারে কিন্তু কারোর কথা শুনেনা। বিপরীত মানুষটি যা বলতে চায় তা শোনার ধৈর্য থাকে না সেই মানুষের মধ্যে। কিন্তু এমনটি করলে উল্টোদিকের মানুষটি অপমানিত বোধ করতে পারে। তাই কথোপকথনের সময় মাথায় রাখতে হবে যে, আপনার কথা বলার মতই জরুরি উল্টোদিকের মানুষটির কথা শোনা।

চোখে চোখ রেখে কথা বলা: আমরা সকলেই জানি যে চোখে চোখ রেখে কথা বললে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। অনেকেই আছেন যারা অন্য দিকে তাকিয়ে কথা বলেন। এতে করে আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে না। তাই ছোটবেলা থেকে এই অভ্যেস তৈরি করতে হবে শিশুর মধ্যে।