দেখে নিন বিশ্বের এই পাঁচটি দেশ যেখানে নেই কোন বিমানবন্দর

3
দেখে নিন বিশ্বের এই পাঁচটি দেশ যেখানে নেই কোন বিমানবন্দর

চলতি বছরের গোড়ার দিকেই বন্ধ হয়ে গেছে সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র। কার্যত মাথায় হাত পরে গেছে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত বিভিন্ন মানুষদের। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলেও আগের মত মানুষ এখনো পর্যন্ত দূর দেশে পাড়ি দিতে চাইছে না। যাত্রা করলেও তাদের একমাত্র ভরসা বিমান যাত্রা। ট্রেনে করে বহু দূরের পথ সহজে মানুষ যেতে চাইছে না, কারণ একটাই করোনাভাইরাস। তাই বাধ্য হয়ে বিমানযাত্রা কে আপন করে নিতে হচ্ছে সকলকে।

কিন্তু আপনি হয়তো জানলে অবাক হবেন যে, বিশ্বের এমন পাঁচটি দেশ রয়েছে, যেখানে আপনি বিমানে করে যেতে পারবেন না। কারণ সেই সমস্ত দেশে নেই কোন বিমানবন্দর। সেই দেশের বিমান ওঠা নামার কোন সুযোগ নেই। এর একটাই কারণ, সেই সমস্ত দেশের আয়তন। আজ এই প্রতিবেদনে আপনাকে জানাবো সেইরকম ৫ টি দেশের কথা।

১) মোনাকো: এই দেশটি অবস্থিত ফ্রান্স এবং ইতালির মাঝখানে। বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ বলে এটি কে গণ্য করা হয়। এ সীমানা মাত্র ছয় কিলোমিটার। এই দেশে বাস করেন ৪০ হাজার মানুষ। দেশের বহু মানুষ সচ্ছল পরিবারের হলেও এই দেশে নেই কোন বিমানবন্দর। এখানকার মানুষের একমাত্র ভরসা ফ্রান্সের নিস বিমানবন্দর। বেশিরভাগ মানুষ রেলপথে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করেন।

২) অ্যান্ডোরা: ক্ষুদ্রতম দেশের তালিকায় ১৬ নম্বরে রয়েছে এই দেশের নাম। সব মিলিয়ে বাস করেন ৮৫ হাজার মানুষ। তিনটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকা সত্ত্বেও গোটা দেশে কোন বিমানবন্দর নেই। এনাদের একমাত্র ভরসা স্পেনের বিমানবন্দর। কষ্ট করে হলেও এই দেশে প্রতিবছর বহু মানুষ ঘুরতে আসেন।

৩) লিচেনস্টাইন: এই দেশটি অবস্থিত অস্ট্রিয়া এবং সুইজারল্যান্ড এর মধ্যে। ৪০ হাজার মানুষকে নিয়ে রয়েছে এই দেশ। একটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে জুরিখ বিমানবন্দরে যেতে হয় ভ্রমণ করার উদ্দেশ্যে। জায়গার অভাব এর জন্য এইখানে কোন বিমানবন্দর তৈরি করা যায়নি।

৪) সান মারিনো: পৃথিবীর প্রাচীনতম দেশ সানমারিনো ইতালি দ্বারা ঘেরা। এই দেশের পরিসীমা মাত্র ৪০ কিলোমিটার। যেকোনো যাতায়াত করার জন্য মানুষকে যেতে হয় রিমিনি বিমান বন্দরে। এছাড়াও পিসা অথবা ভেনিস শহরের বিমানবন্দর এখান থেকে বেশি দূর নয়।

৫) ভ্যাটিকান সিটি: এই দেশটির সঙ্গে আমাদের অনেকের পরিচিতি রয়েছে। খ্রিস্টানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান বলে মনে করা হয় এই দেশটিকে। এটি বিশ্বের সবথেকে ক্ষুদ্রতম দেশ। এখানেই থাকেন পোপ ফ্রান্সিস। ভ্যাটিকান রোমের মধ্যে অবস্থিত, তাইযাতায়াত করার জন্য এই দেশের মানুষদের নির্ভর করতে হয় রোমের বিমান বন্দরের ওপর।