দেখে নিন শরীরে ট্যাটু করার ফলে কপালে গজাল সিং সাপের মত ভাগ হয়ে গেল জিভ

13
দেখে নিন শরীরে ট্যাটু করার ফলে কপালে গজাল সিং সাপের মত ভাগ হয়ে গেল জিভ

বর্তমানে সবাই চায় গিনিচ বুকে নাম উঠাতে এজন্য নানাধরনের কাজও করে থাকে অনেকে। শরীরে নানা ধরনের ট্যাটু নাহলে ওষুধ খেয়ে শরীরের পরিবর্তন করা সমস্ত কিছুই এখন দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। আবার অনেকে এর ফলে গ্রিনিজ বুকে নাম উঠে। তবে এখনকার যুগে ট্যাটু করা একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে, ট্যাটু করে ফ্যাশনের জন্য। আবার অনেকে নিপল পিয়ের্সিং করায় নিজেকে ফ্যাশননেবেল রাখার জন্য। অনেকেই জানেন না যে জার্মানির এক ব্যক্তি নেপেল পেয়ারসিং এরজন্য গিনিচ বুকে নাম উঠিয়েছিলেন।

জার্মানের রল্ফ বুথহলজকে অনেকেই হয়ত এই ব্যাক্তিকে চেনেননা, ২০ বছর আগে গিনিচ বুকে নাম উঠিয়েছিলেন নিপল পিয়ের্সিং এরজন্য। নিপিল পিয়ের্সিং অনেকেরই জানা রয়েছে শরীরের নানা জায়গায় ফুটো করে রিং পড়া। ২০ বছর আগে রল্ফ শরীরের নানা জায়গায় ৫১৬ বার ফুটো করে রিং পড়েছিলেন। এর জন্য ২০১০ সালে তার নাম গ্রিনিস বুকে উঠেছিল। তখন রল্ফ এর বয়স ছিল ৪০ বছর।

তারপরে রল্ফ নতুনভাবে নিজের নাম গ্রিনিজ বুকে স্নান করতে চেয়েছিলে। অন্য তিনি প্রথমে নিজের শরীরে ট্যাটু করে। আস্তে আস্তে অনেকগুলো ট্যাটু করতে থাকে তার শরীরে। তার শরীরে ট্যাটু করার ফলে তার আগের নিপল পিয়ের্সিং এরফলে তার কপালে দুটো সিং গজিয়েছে। এছাড়াও তার জিভ সাপের মতো দুভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। তবে এই সমন্ধে রল্ফ বলেছেন, আমার শরীরে পরিবর্তন আসলেও, আমার মনে একি রকমই আছে তার কোনো পরিবর্তন হয়নি।