দেখে নিন শিশুদের সঠিকভাবে বুকের দুধ পান করালে মায়েদের যে সমস্যা গুলি দেখা দেয়

126
দেখে নিন শিশুদের সঠিকভাবে বুকের দুধ পান করালে মায়েদের যে সমস্যা গুলি দেখা দেয়

প্রত্যেক নবজাতকের মাকে চিকিৎসকের পরামর্শ দেন, শিশুর জন্মের অন্তত ছয় মাস অবধি শিশুকে বুকের দুধ পান করানো ভীষণভাবে জরুরি। বর্তমানে অনেক মায়েরা ভীষণভাবে ব্যস্ত হয়ে থাকার ফলে শিশুর জন্মের তিন মাস পর্যন্ত বুকের দুগ্ধ পান করাতে পারেন। শিশু জন্মের তিন মাস পর পুনরায় কাজে যোগদান করার ফলে সঠিকভাবে দুগ্ধ পান করানো যায়না শিশুকে। কিন্তু চিকিৎসকরা মনে করেন, যদি কোনো শিশু সঠিকভাবে ছয় মাস পর্যন্ত বুকের দুধ পান করে তাহলে সে শারিরিকভাবে অনেকটাই সুস্থ থাকতে পারি। তবে অনেক সময় সঠিকভাবে বুকের দুধ পান করানো সম্ভব হয়না মায়েদের পক্ষে, অপরদিকে অনেক শিশুর সঠিক ভাবে মায়ের দুগ্ধ পান করতে পারে না। এক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

এবার যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে সেটি হল, অনেক মায়েদের বুকে পরিমাণমতো দুধ আসে না তাই শিশুর পেট ভরে দুধ পান করতে পারে না। এর জন্য গর্ভাবস্থায় আপনাকে এমন কিছু খাবার খেতে হবে যাতে পরবর্তীকালে সহজে দুধ আসতে পারে আপনার বুকে। গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকরা প্রচুর পরিমাণে লাউ শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন প্রত্যেক মাকে এছাড়া দুধ সাবু এমনকি ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেতে পরামর্শ দেন তারা।

সবুজ শাক ভ্রূণের এবং পুষ্টিতে সাহায্য করে বুকের দুধ আনতে সাহায্য করে। আবার অনেক সময় অতিরিক্ত দুধ বুকে জমে গেলে স্তনের মধ্যে শক্ত হয়ে আটকে যায়। এমন পরিস্থিতি হলে গরম সেঁক দিয়ে দুধ হাতে করে বার করে দিতে হয়। শীতকালে বুকের দুধ পান করানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় স্তনের বোটা ফেটে গিয়ে রক্ত বেরুতে শুরু করে দেয়। এই সময় একজন মায়ের পক্ষে খুব কষ্টকর একটি সময়। অতিরিক্ত কষ্ট হল এবং রক্তপাত হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

কর্ম ক্ষেত্রে যদি কোন মায়েরা যদি ঘরের বাইরে বের হন তাহলে সে ক্ষেত্রে কাজে যাওয়ার আগে ব্রেস্ট পাম্প করে বোতলের মধ্যে দুধ সঞ্চয় করে রাখতে পারেন। এই দুধ বেশ অনেকক্ষণ তাজা থাকে এবং একজন শিশু এই দুধ খেয়ে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে।