ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেলেও জলমগ্ন শহর কলকাতার একাংশ

7
ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেলেও জলমগ্ন শহর কলকাতার একাংশ

অল্পের জন্য প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শহর কলকাতা। তবে বন্যার হাত থেকে কলকাতাকে বাঁচানো গেল না। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে তীব্র জলোচ্ছ্বাস এবং ভরা কোটালের ফলে গঙ্গার জল স্তর বৃদ্ধি পাওয়াতে কলকাতার একাধিক এলাকা ইতিমধ্যেই জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। আপাতত জল সরানোর ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। তবে কয়েক ঘন্টায় প্রচেষ্টা ছাড়া কলকাতার রাস্তায় জমে থাকা জল সরানো সম্ভব হবে না বলেই মনে করছে প্রশাসন।

কলকাতার রাস্তা থেকে জল নামানোর জন্য ম্যানহোলের দরজা ইতিমধ্যেই খুলে দেওয়া হয়েছে। বিপদ এড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ সংস্থা জলমগ্ন বেশ কিছু এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দিয়েছে। পূর্ণিমা, চন্দ্রগ্রহণ এবং ভরাকোটালের জেরে গঙ্গা ও আদিগঙ্গার জলস্তর আগের তুলনায় অনেক খানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, ভবানীপুর ও চেতলার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন।

কলকাতার বিভিন্ন বস্তিতে নোংরা জল ঢুকতে আরম্ভ করেছে। এখানে অবশ্য স্বস্তি নেই। রাতের দিকে জোয়ারের জল এলে নদীর জল স্তর আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। ফলে জলস্তরের উচ্চতা আরো বৃদ্ধি পাবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।

এদিন রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি উলটে গিয়েছে। কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিকভাবেই তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। সিইএসসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশে যেখানে জল স্তর বৃদ্ধি পেয়েছে সেই জায়গাগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা হবে।