“ওপেন বুক সিস্টেম” এ পরীক্ষা দিয়েও অনুত্তীর্ণ, হতাশ মালদার ডিএলএড কলেজের ছাত্রছাত্রীরা

13

করোনাকালে বাড়িতে বসে বই খুলে “ওপেন বুক সিস্টেম” এ পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হওয়া গেল না। একজন দুজন নয়, প্রায় ১০০জন পরীক্ষার্থীই ফেল করে গিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার একটি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। মালদার শোভানগর ডিএলএড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ১০০ জন পড়ুয়া একযোগে ফেল করেছেন। কি ভাবে এমনটা ঘটলো, কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে তার কোনো জবাব নেই।

রাজ্যের অন্যান্য সকল কলেজের মতই গত অক্টোবর মাসে মালদহের একমাত্র সরকারি কলেজের পড়ুয়ারাও বাড়িতে বসেই অনলাইনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরীক্ষার প্রায় দেড় মাসের মাথায় সম্প্রতি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফল দেখে পরীক্ষার্থীদের মাথায় হাত। একজন পরীক্ষার্থীও পাশ করতে পারেননি। এমন ঘটনাই স্বভাবতই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বেশ ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

শোভানগর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের অধ‍্যক্ষ মিলন সাহা জানালেন, টেকনীক্যাল কোনো ত্রুটির কারণেই এমনটা ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। শিক্ষা পর্ষদকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করানো হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে ফল প্রকাশের পর এমন ফলাফল দেখে হতাশ হয়েছেন শোভানগর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থীরা।