৯০ শতাংশের উপরে নাম্বার পেয়েও উচ্চ শিক্ষা লাভে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন পড়ুয়ারা

9
৯০ শতাংশের উপরে নাম্বার পেয়েও উচ্চ শিক্ষা লাভে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন পড়ুয়ারা

স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা ক্ষেত্র, সর্বত্রই আক্রমণ হানছে করোনা। করোনা মহামারীর আবহে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় প্রভূত ব্যাঘাত ঘটেছে। তবে, মহামারীর মধ্যেই যখন চলতি বছরের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হয় তখন দেখা যায়, আশাতিত নম্বর পেয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন বহু ছাত্র-ছাত্রী। বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীই এবার ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছেন। তবে, বেশি নম্বর পেয়েও উচ্চ শিক্ষা লাভে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন পড়ুয়ারা।

সিবিএসসি আইসিএসসি বোর্ডের পড়ুয়ারা এবার এত বেশি নম্বর পেয়েছেন যে কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। কারণ, কলেজের সিটের অপ্রতুলতা। ভালো নম্বর পেয়েও তাই ইচ্ছানুরূপ কলেজে আশানুরূপ বিষয় নিয়ে ভর্তি হতে পারছেন না পড়ুয়ারা। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে জীব বিদ্যা বিভাগে প্রথম দফায় যে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেই মেধা তালিকায় সর্বশেষ যার নাম রয়েছে তার প্রাপ্ত নম্বর ৪০০ এর মধ্যে ৩৯০.৭৮।

শুধু তাই নয়, পদার্থবিদ্যার যে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সর্বশেষ আবেদনকারী পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর ৩৯৮.২৫! স্বভাবতই ভালো নম্বর পেয়েও, কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে রীতিমতো সংঘর্ষ করতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা সৃষ্টির পেছনে মূল কারণ হলো ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাপ্ত নম্বর। ৯০ শতাংশের বেশি পেয়েছেন অনেকেই। ফলে, সিটের অপ্রতুলতায় ভর্তি হতে পারছেন না কেউই।

যাদবপুর ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, এবছর এখনো পর্যন্ত স্নাতক স্তরে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়নি। তবে গত বছর কলা বিভাগে ১১০০০ পড়ুয়া আবেদন করেছিলেন। এবছর সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজারে। প্রচুর পরিমাণে নম্বর প্রাপ্তির ফলেই এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে প্রেসিডেন্সি কলেজেও এবার ৫৩ হাজারের কাছাকাছি ভর্তির আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।