অদ্ভুত ঘটনা! হারিয়ে যাওয়া বিমান ৩৫ বছর পর ভাসছে আকাশে

50
অদ্ভুত ঘটনা! হারিয়ে যাওয়া বিমান ৩৫ বছর পর ভাসছে আকাশে

রহস্য কে না ভালোবাসেন? রহস্য-রোমাঞ্চে ভরা গল্প-উপন্যাস হোক কিংবা কোনো সিনেমা, পাঠক এবং দর্শক উভয়েই তা বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন। তবে সত্যি ঘটনার মোড়কে মোড়া রহস্য যদি হয়, তাহলে তার প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেকখানি বেড়ে যায়। যেমনটা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দুই দশক আগে। ১৯৮৯ সালে “উইকলি ওয়ার্ল্ড নিউজ” নামক একটি পত্রিকায় এমন একটি অদ্ভুত, অবাস্তব খবর ছেপেছিল যা সকলের নজর কেড়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৫৪ সালে। ওই সময় ৪ঠা সেপ্টেম্বর পশ্চিম জার্মানি থেকে ব্রাজিলগামী ফ্লাইট ৫১৩ বিমানটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই মাঝ আকাশে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সেটির আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। আটলান্টিক মহাসাগরে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও যখন বিমানের কোনো হদিস পাওয়া গেল না তখন সকলেই ধরে নিলেন বিমানটি নির্ঘাত দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

তবে সকলকে চমকে দিয়ে ১৯৮৯ সালের ১২ই অক্টোবর অর্থাৎ প্রায় ৩৫ বছর পর সেই বিমানটিকেই নাকি আবারও আকাশের বুকে ভেসে বেড়াতে দেখা গেল। শুধু তাই নয়, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশ ছাড়াই বিমানটি বিমানবন্দরের রানওয়েতে নেমে এলো, যা একেবারেই অসম্ভব। তবে চমকের এখনো কিছু বাকি ছিল। বিমানবন্দরের কর্মীরা যখন বিমানের দরজা খুলে ফেললেন তখন দেখা গেল ওই বিমানের কোনো যাত্রীই আর বেঁচে নেই। তাদের দেহ রীতিমতো কঙ্কালে পরিণত হয়েছে।

বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন মিগুয়েল ভিক্টর কারিরও সেই একই পরিণতি হয়েছে। খবরের কাগজের এই প্রতিবেদন সেই সময়ে পাঠকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল। তবে এমন ঘটনার বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল রয়েছে কি? প্রশ্ন তুললেন অনেকেই। একটু খতিয়ে দেখতেই আসল সত্যিটা বেরিয়ে এলো। এই ধরনের প্রতিবেদন আগেও ছেপেছে ওই পত্রিকা। এই প্রতিবেদন নিছক আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছু নয়। বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এমন গল্প ছেপে থাকে তারা, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই।