সুত্রের খবরঃ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় আর মিলবে না বালিশ কম্বল, চাদর তোয়ালে

63
সুত্রের খবরঃ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় আর মিলবে না বালিশ কম্বল চাদর তোয়ালে

এই করোনা মানুষের জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে । আসলে মানুষের জীবনকে একেবারে বদলে দিয়েছে এই করোনা। কারণ এই করোনার ফলে অন্যের ব্যবহার করা জিনিস আমরা আগে অনেকেই ব্যবহার করতাম, কিন্তূ এখন আর সেটা সম্ভব নয়। তাই এবার ভারতীয় রেলে নতুন এক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও, আগামীতে যে এই পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতীয় রেল সেটা স্পষ্ট। আগে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় দেওয়া হত বালিশ, চাদর, কম্বল, তোয়ালে সব। কিন্তু করোনার পরে হয়তো আর না।

কিছুদিন আগেই এই বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছিল রেল কর্তাদের মধ্যে ও সাথে উপস্হিত ছিল বিভিন্ন জোন ডিভিশনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। তারা সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়, কি এমন করা যেতে পারে এর পরিবর্তে। কারণ এই করোনা পরিস্হিতি এমন করে দিয়েছে যেখানে কোনোভাবেই বালিশ কম্বল, চাদর তোয়ালে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে রেলের লন্ড্রী গুলোকে এখন কি কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে?

আসলে রেলের কাছে এই বালিশ, কম্বল, তোয়ালে, চাদরের সেট রয়েছে ১৮ লাখের মতো, কিন্তু এই সব কেনা এখন রেল বন্ধ করে দিয়েছে। আর এতেই কিছুটা আন্দাজ করা যাচ্ছে যে, রেল আগামীতে যাত্রীদের আর এইসব পরিবেশন করবেন না। এই সব বালিশ কম্বল, চাদর সব কিছুই ৪৮ মাস করে চলে। তারফলে এইসব ধুতে খরচ ৪০-৫০ টাকা। এই জিনিসগুলো মাসে একবার করেই ধোওয়া হয়। কিন্তু রেল চাইছে এইসব বর্জন করতে। তাতে রেলের খরচা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে তারা। এর পরিবর্তে এখন স্টেশনে রাখা হবে সস্তায় লেপ কম্বলের দোকান। আর রেল হয়তো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় তাপমাত্রা এমনভাবে রাখবে যাতে কোনোভাবেই যাত্রীদের লেপ কম্বলের দরকার না হয়। এইসব নিয়েই এখন চিন্তা ভাবনা চলছে। যা আগামীতে ঠিক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।