পুজোর থিম হিসেবে তৈরি হচ্ছে সোনু সুদের মূর্তি! আপ্লুত গরিবের মাসিহা

13
পুজোর থিম হিসেবে তৈরি হচ্ছে সোনু সুদের মূর্তি! আপ্লুত গরিবের মাসিহা

মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরে সারা দেশ জুড়ে পালিত হবে দুর্গোৎসব। করোনাসুরকে বধ করার জন্য সারাদেশের মানুষ দেবী মায়ের দুর্গারূপের আরাধনা করবেন। তবে করোনাকালে যিনি সত্যি সত্যিই দুস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই সোনু সুদকেই মসিহা বা দেবদূত বলে মানছে আসমুদ্র হিমাচল। করোনাকালে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সনু সুদের খ্যাতি দেশের বাইরে বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

সোনুর সেই ত্রাতা মূর্তি গড়া হচ্ছে এবার কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন (পশ্চিম) অধিবাসী বৃন্দ। এই জনপ্রিয় পূজা কমিটি এবার তাদের থিম হিসেবে রেখেছে করোনাদুর্গত মানুষদের দুর্দশা এবং তার পরিত্রাতা হিসেবে সোনু সুদের আবির্ভাব। আপাতত সোনুর মূর্তি গড়তে ব্যস্ত কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা। শিল্পী সৌমেন পাল অতি যত্ন সহকারে তাই অভিনেতার মূর্তি গড়ছেন। পূজামণ্ডপে আর্ত নিপীড়িত মানুষের পরিত্রাতা রূপে তুলে ধরা হয়েছে।

এই খবর ইতিমধ্যেই গরিব মানুষের মসিহার কানে পৌঁছে গিয়েছে। সনু সুদ জানিয়েছেন এই পুজো দেখার জন্য তিনি নিজে কলকাতায় আসবেন। যদি তিনি একান্তই না আসতে পারেন তাহলে ভার্চুয়ালি তিনি এই পূজামণ্ডপে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য গত বছর মানুষের দুঃখ-দুর্দশার ছবি নিজেদের মণ্ডপে তুলে ধরেছিল প্রফুল্ল কানন। সংকটের এই মুহূর্তে প্রতিটি মানুষের একে অপরের পাশে থাকা উচিত সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছিল।

করোনাকালে ভিন রাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সোনু। হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক তার সাহায্য পেয়ে নিজের বাড়িতে ফিরে আসতে পেরেছেন। তিনি তাদের কাছে সঠিক সময় মতো জল এবং খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য গাড়ির বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। তিনি সেখানেই থেমে থাকেননি। এরপরেও দুস্থ মানুষের কাছে তিনি প্রয়োজনমতো ওষুধ এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছেন। আজও তিনি সেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।