কলমের মধ্যে লেখা রয়েছে কিছু ফৌজদারি আইন। কী দারুণ শিল্পকর্ম!’’

12
কলমের মধ্যে লেখা রয়েছে কিছু ফৌজদারি আইন। কী দারুণ শিল্পকর্ম!’’

পড়াশোনা করতে ভালো লাগলেও পরীক্ষা শব্দটা শুনলে গায়ে জর আসে অধিকাংশ পড়ুয়ারই। পরীক্ষা মানেই গোছা গোছা বই পড়া সারাদিনের প্রেসার তার উপর কি প্রশ্ন আসবে সেই নিয়ে চিন্তা সব মিলিয়ে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সব সময়ই ভীষন ভয়ের একটা শব্দ এক্সাম বা পরীক্ষা।

কিন্তু তবুও তো পড়ুয়ারা পরে পরীক্ষা দিয়ে অনেক কষ্ট করে নিজের প্রাপ্য নম্বর তোলেন। কিন্তু একদল ছাত্র ছাত্রীদের দেখা যায় তারা পরিশ্রম করে পড়াশোনা করার বদলে চুরি বিদায় নম্বর তুলতে চায়। পরীক্ষার হলে তাদের সেই সব বিশেষ প্রতিভার দর্শন মেলে। ঠিক তেমনি একটি চুরি বিদ্যার গল্প উঠে এসেছে টুইটারে। এটা স্পেনের ঘটনা। সেখানের এক শিক্ষিকা নাম ইয়োল্যান্ডা ডি লুচ্চি এটি পোস্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, “অফিস পরিষ্কার করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভাস্কর্যগুলি খুঁজে পেলাম। বছর খানেক আগে এক পড়ুয়ার থেকে পেয়েছিলাম পেনগুলি। কলমের মধ্যে লেখা রয়েছে কিছু ফৌজদারি আইন। কী দারুণ শিল্পকর্ম!’’
তার কথা মাফিক জানা যাচ্ছে যে, ওই শিক্ষিকা ১১ টি কলম উদ্ধ্বার করেছিলেন এক বছর আগে এক পরীক্ষার হল থেকে।

এক পরীক্ষার্থী ওই অত গুলো পেনের মধ্যে করে লিখে এনেছিলেন ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন তথ্য। কাছ থেকে দেখলে এক পলকে কিছুই বোঝার উপায় নেই। কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যাবে কলমের গায়ে অত্যন্ত ক্ষুদ্র হরফে লেখা রয়েছে বিভিন্ন তথ্য।
আর ওই পেন গুলি দেখে বা এরকম শিল্পকর্ম দেখে নেটিজেনরা এটা নিয়ে হাসি মজা করতে আর বাকি রাখেনি। অনেকেই নানা রকম মন্তব্য করেছেন। কেউ বলেছেন, এরকম শিল্পকর্মের জন্য পড়ুয়াকে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া উচিত ছিল। আবার কেউ বলেছেন, ওই পেনের মধ্যে আইনগুলি লিখতে যত পরিশ্রম করেছেন সংশ্লিষ্ট পড়ুয়া, তার তুলনায় আইনগুলি মুখস্থ করতে অনেক কম সময় লাগত।

এই পোস্টে এর মধ্যেই লাইক’ পড়েছে প্রায় ৩ লক্ষ আশি হাজার। চব্বিশ হাজার মানুষ ‘রিটুইট’ করেছেন ছবিটি।
তবে এর থেকে সকল ছাত্র ও ছাত্রীদের বোঝা উচিত এভাবে চেষ্টা না করে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দেওয়া অনেক সোজা। এতে ধরা পড়ার যেমন ভয় থাকে না ধরা পড়লে গোটা বছরটা নষ্ট হয়ে যাবে সেই চিন্তাও করতে হয়না। কারণ তুমি যেখানে বসে পরীক্ষা দিচ্ছ আর যারা তোমার পরীক্ষা নিচ্ছে তারা তোমার টিচার্স তাদের কাছ থেকে লুকোনো এত সহজ কখনোই নয়।