ছয় দশক পর গিয়ে চিনের জনসংখ্যা কমল

8
ছয় দশক পর গিয়ে চিনের জনসংখ্যা কমল

একেবারে ছয় দশক পর গিয়ে চিনের জনসংখ্যা কমল একবারে, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালের জনসংখ্যা কমল চিনে, আর জনসংখ্যা কমার কারণে কিসের ইঙ্গিত পাওয়া গেল সেটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। জনসংখ্যা কমার কারণে চিনে ডেমোগ্রাফিক ইঙ্গিত পাওয়া গেল, চিনে যে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছে সেটা স্পষ্ট। এদিকে আবার রেকর্ড পতন হয়েছে জন্মহারেও। আর এর প্রভাব যে চিনের অর্থনীতিতে দারুণ ভাবে পরতে চলেছে সেটা মনে করছে তারা। ২০২২ সালের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার চিনে দেখা গিয়েছে মাত্র ৩ %। আর এর পেছনে সব থেকে বড় ভূমিকা ছিল কোভিডের।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছে কর্মক্ষম নাগরিকের সংখ্যার গ্রাফ ও জন্মহার যদি নিচের দিকেই নামে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে গিয়ে চিনকে সংকটের মুখোমুখি হতে হবে। ইতিমধ্যেই সরকারি হিসেবে জানা গিয়েছে চিনের জনসংখ্যা ২০২২ সালে ১৪১১৭৫০০০০ জন, যেটা কিনা আগের বছরের তুলনায় ৮ লক্ষ কম। ২০২২ সালে শিশু জন্ম নিয়েছে ৯৫.৬ লক্ষ, কিন্তু কোভিডে মারা গিয়েছে প্রায় ১ কোটির ওপরে। ১৯৬০ সালেও এক বার চিনের জনসংখ্যার হার ছিল নিন্মমুখী। যার কারণেই চিনকে সেই সময়ে এক বড় দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

অনেকেই মনে করেন মাও সে তুং এর ভুল নীতীর জন্যই এমনটা হয়েছে। এদিকে আবার চিনের মূল চালিকা শক্তির কথা যদি বলা যায় তাহলে বলতেই হবে, সেটা আর কিছুই না বিপুল জনসংখ্যা ছাড়া। তাই বিশ্বের বিভিন্ন উতপাদনকারি সংস্থা সস্তায় কর্মী চাহিদা মেটাতে তারা এসে উপস্থিত হয়। চিনে এদিকে আবার কঠোর জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইন রয়েছে, যার কারণেই জনহারে লাগাম লেগেছে। কিন্তু তার মধ্যে এইভাবে জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়া সত্যি চিনের অর্থনীতির ওপরে দারুণ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।