দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে বিতাড়িত হলেন শিশির অধিকারী

9
দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে বিতাড়িত হলেন শিশির অধিকারী

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজ্যে রীতিমতো দলবদলের রাজনীতি শুরু হয়েছে। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বহু তৃণমূল কর্মী, নেতা, বিধায়ক জোটবদ্ধ হয়ে পদ্মফুল শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। তা বাদেও শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে বিজেপি নেতৃত্বের আয়োজিত জনসভা গুলিতে মমতা সরকারকে তুলোধোনা করছেন। শুভেন্দু অধিকারী দল থেকে বেরিয়ে যেতেই তার ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে বহিষ্কার করে রাজ্য শাসকদল।

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, শুভেন্দুর উপরে রাগের কারণেই মূলত সৌমেন্দুকে বহিস্কার করা হয়েছে। পরে অবশ্য “দাদা”র অনুগামী হয়েই বিজেপি শিবিরে নাম লেখান সৌমেন্দু অধিকারী। তৃণমূল শিবিরের প্রতি শুভেন্দুর হুংকার, তার পরিবারে পদ্মফুল ফুটবে! রাজ্যের প্রতিটি ঘরে ঘরে পদ্ম ফুল ফুটবে! সেই কারণেই কি সৌমেন্দু অধিকারীর পর অধিকারী পরিবারের আরেক সদস্য শিশির অধিকারী তার পদ থেকে বিচ্যুত হলেন?

ঠিক এই প্রশ্নটিই এখন রাজনৈতিক মহলে ঘোরাফেরা করছে। কারণ সম্প্রতি তৃণমূলীয় শাসক দল দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে শিশির অধিকারীকে বিতাড়িত করেছে। সেই পদ পেয়েছেন অখিল গিরি। আবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদ পেয়েছেন তরুণ জানা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরির সঙ্গে অধিকারী পরিবারের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়।

গিরি পরিবার এবং অধিকারী পরিবার কার্যত রাজনৈতিক মহলে একে অপরের শত্রু হিসেবেই পরিচিত। এমতাবস্থায় শাসকদলের এহেন অবস্থান স্বভাবতই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।