অনলাইনে গিফট বক্স করে কুকুর বিড়াল কেনা বেচা করতে গিয়ে ধরা পড়লো একাধিক চিনা সংস্থা

10
অনলাইনে গিফট বক্স করে কুকুর বিড়াল কেনা বেচা করতে গিয়ে ধরা পড়লো একাধিক চিনা সংস্থা

সারা পৃথিবী যে জায়গায় এসে দাঁড়িয়ে আছে, তার জন্য সারা বিশ্ব একমাত্র দায়ী করেছে চীন কে। যদিও করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কোন তথ্য স্বীকার করতে চাইনি চীন। বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কে ভুল বুঝিয়ে একের পর এক ভুল বার্তা দিয়ে এসেছে মানুষকে। আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মনে মনে বিশ্বাস করেন যে, পৃথিবীর এই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য একমাত্র দায়ী চিন। বাদুরের মাধ্যমেই এই মহামারী মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বলে বিশ্বাস করেন বহু মানুষ।

চীন এমন একটি দেশ যেখানে মানুষ সবকিছু খেতে পারেন। কুকুরের মাংস থেকে শুরু করে আরশোলা সাপ, সবকিছুই বিনা দ্বিধায় খায় তারা। সম্প্রতি আরও একবার চীনের নাম উঠে এলো খবরের শিরোনামে। অনলাইনে কুকুর বিড়াল কেনা বেচা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে বেশ কিছু চিনা সংস্থা। গিফট বক্স করে কুকুর বিড়াল গুলোকে পাচার করে দেওয়া হচ্ছিল। আরো উদ্বেগের বিষয় হলো, যারা এই কালো গিফট বক্স নিচ্ছেন, তারা আদৌ জানেন না যে এর মধ্যে কি রয়েছে।

সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, প্রাণী অধিকারি কর্মীরা গত সোমবার ওই কুকুর বিড়াল গুলোকে উদ্ধার করেছেন। জানতে পারা গেছে যে, ক্রেতাদের কাছে ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত করে রাখা এই বক্স গুলি যখন খোলা হয় তখন দেখা যায় একের পর এক কুকুর বিড়াল বেরিয়ে আসছে। কোন কোন কুকুর বিড়ালের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল।

উদ্ধারকারী সংস্থা জানিয়েছেন যে, প্রাণীদের কষ্ট দেখলে আমাদের কষ্ট হয়। কোন গাড়িতে যদি না তোলা হয় এবং বাতাসের ব্যবস্থা না করা হয় তাহলে এরা মরে যাবে। ছোট ছোট গিফট বক্স এ করে এদের নিয়ে যাবার জন্য অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। এরই মধ্যে চারটি কুকুর বিড়াল গত বৃহস্পতিবারের মধ্যে মারা গেছে। অনুযায়ী যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার বলে জানিয়েছে পশু-প্রাণী প্রেমিক রা।

আরো একবার চীনের এই ঘটনা সামনে আসার ফলে তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে একাধিক দেশ। এককথায় চীনের এই কাজ মেনে নিতে পারছেন না বহু পশু প্রেমিকরা। চীনের মানুষের কাছে পশুপাখি এবং অন্যান্য জীব জন্তুর কোন মূল্য নেই। এই ভাবেই অবাধে হত্যা করা আইনত অপরাধ বলেই মনে করছে সকলে।