ভোট পার হলেই ঘটতে পারে বিচ্ছেদ! এই দুই দম্পতির

8
ভোট পার হলেই ঘটতে পারে বিচ্ছেদ! এই দুই দম্পতির

গত বছর থেকে যে দুই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে, ভোটের প্রচারে আড়ালে এখন তা অস্তায়মান সূর্যের মতো হয়ে গেছে। একদিকে যেমন নুসরাত জাহান হলেন তৃণমূল সাংসদ তেমনি অন্যদিকে শ্রাবন্তী সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। তাই আপাতত তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে না।

তবে সম্প্রতি আনন্দবাজার ডিজিটাল কে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রোশন জানালেন যে, নির্বাচনের আগে কোন কিছুই হবে না। তবে আমি এটুকু বলতে পারি যে, যে মেয়েটিকে আমি বিবাহ করেছিলাম তাকে হয়তো এখন দেখলে চিনতে পারবো না।

রোশানের পাশাপাশি কিছুদিন আগে আনন্দবাজার ডিজিটাল কে নিখিল ও এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, বিবাহবিচ্ছেদ কবে হবে সেটা ঠিক জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে এইটুকু বলতে পারি এখনও সে সময় আসেনি।

অর্থাৎ নির্বাচনের আগে তাদের দুজনের বিচ্ছেদ নিয়ে কোনো রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তবে নির্বাচনের পরই তড়িঘড়ি বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

শ্রাবন্তীর স্বামীর রোশন জানান যে, এই মুহূর্তে আমি যদি কোন মন্তব্য করি তা বিতর্কিত আকার ধারণ করে নেবে। এমনকি আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হতে পারে। তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তিনি কতখানি নির্ভর ছিলেন তার স্ত্রীর ওপর
আর্থিক দিক দিয়ে। সেই প্রসঙ্গে রশান জানিয়েছেন যে, ২০০৭ সালে ২৩ শে জুলাই আমি এটি এয়ারলাইন্স এর কেবিন সুপারভাইজার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম। তখন আমার মাইনে ছিল প্রায় ২৫ হাজার টাকা। সে চাকরি করতে করতেই আমি নিজস্ব জিম খুলে ফেলি। আমি যদি আর্থিকভাবে আমার স্ত্রীর ওপর নির্ভরশীল হতাম তাহলে নিশ্চয়ই এতদিনে আমি না খেতে পেয়ে মরে যেতাম। কিন্তু আশা করি সেটা হয়নি।

বৈবাহিক সম্পর্ক কেএখন আড়ালে সরিয়ে রেখেছেন নুসরাত জাহান এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তাই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর এই সম্পর্কের টানাপোড়েন যে আরো একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে তা বলাই বাহুল্য।