দেখে নিন জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে শরীরের কোন স্থানে কোন ধাতুর পরিধান সৌভাগ্য বহন করবে

14
দেখে নিন জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে শরীরের কোন স্থানে কোন ধাতুর পরিধান সৌভাগ্য বহন করবে

পুরুষের তুলনায় মহিলারা সাধারণত একটু বেশিই সৌন্দর্য সচেতন হয়ে থাকেন। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের শোভা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন ধাতব অলংকারের সমাদর করে থাকেন মহিলারা। ধাতব অলংকার পরিধানের চল সেই সুপ্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। অলংকারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধাতু অথবা পাথরের কদর রয়েছে অলংকার প্রেমীদের কাছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে সমাদৃত হলো সোনা-রুপার অলংকার।

শরীরের কোন স্থানে কোন ধাতুর পরিধান সৌভাগ্য বহন করবে তার একটি সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করেছে জ্যোতিষ শাস্ত্র। সেই ধারণা অনুযায়ী, মহিলাদের পায়ের আঙ্গুলের আংটির (চলিত কথায় যাকে চুটকি বলা হয়) উপরেও সাংসারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বেশ খানিকটা নির্ভর করছে। পায়ের আঙ্গুলের এই আংটি কখনোই সোনার হওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

জ্যোতিষ মতে, পায়ের আঙ্গুলের আংটি রুপার হওয়াই বাঞ্ছনীয়। সেইসঙ্গে পায়ের আঙ্গুলের মধ্যে থেকে মধ্যমাতে যদি রুপার আংটি পরিধান করা হয় তাহলে সাংসারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যদি এই আংটি সোনার হয় তাহলে তার সংসারে বহু বিপদ, অর্থকষ্টের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলেই নিদান দিয়েছে জ্যোতিষ শাস্ত্র।

পায়ের আঙুলে আংটি পরার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অবশ্যই পালন করা উচিত। এর মধ্যে একটি হলো আংটিটি অবশ্যই পায়ের মধ্যম আঙুলে পরতে হবে। অপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো আংটি থাকলে পা সর্বদাই পরিষ্কার রাখতে হবে। নোংরা পায়ে আংটি পরলে তা সংসারে অশুভ প্রভাব বৃদ্ধি করে। তাই সংসার জীবনে উন্নতি চাইলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পায়ের মধ্যম আঙুলে সর্বদা রুপোর আংটিই পরুন।