সমকামির বিয়ে সরকারি ভাবে স্বীকৃত এই দেশে

11
সমকামির বিয়ে সরকারি ভাবে স্বীকৃত এই দেশে

বিবাহ মানেই যে দুটি আলাদা লিঙ্গের একইসঙ্গে বসবাস সেটা আমরা সকলেই জানি। নারী-পুরুষের বিবাহ আমাদের কাছে ভীষণভাবে একটি সাধারণ ব্যাপার। যদিও এখন প্রায়শই দেখা যাচ্ছে সম লিঙ্গের মানুষ একে অপরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়ছেন। তবে এমন একটি দেশ রয়েছে যেখানকার রীতি অনুযায়ী বহু বছর ধরে একজন নারী অপর নারীকে বিয়ে করে চলেছেন। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক অদ্ভুত এই রীতির কারণ এবং এই দেশ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু কথা।

পূর্ব আফ্রিকার একটি বুনাঞ্চল বিশেষ স্থান তানজানিয়া। আফ্রিকার কোন অঞ্চলের একটি বড় অংশ রয়েছে এই তানজানিয়াতে। আফ্রিকা সমস্ত উঁচু পর্বত অবস্থিত এই দেশে। এখানকার ন্যাশনাল পার্ক ভীষণ বিখ্যাত। এই দেশে অবস্থিত মাউন্ট কিলিমানজিরো, পেমবা আইল্যান্ড এবং তারাঞ্জিরে ন্যাশনাল পার্ক।

এই দেশের একটি আদিম রীতি হল সমকাম অর্থাৎ এই দেশের একজন নারী অন্য নারীকে বিয়ে করেন ভীষণ স্বাভাবিক নিয়মে। তানজানিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে একজন নারী তার পছন্দের অন্য একজন নারীকে বিয়ে করতে পারেন। এখানকার দেশে সমকামের বিয়ে কে সামাজিক স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে বহু বছর ধরে। গোটা বিশ্বে যে সমকামীন বিয়ে নিয়ে এত হইচই সেই বিয়ে বহু বছর আগে এই দেশে সামাজিক স্বীকৃতি পেয়ে গেছে।

তানজানী আর মানুষের কাছে এই সমকামির বিয়েকে বলা হয় হাউজ অফ উওম্যান। স্বামীর অবর্তমানে নারীরা নিজেদের জীবনকে উপভোগ করেন এই রীতি মাধ্যমে। তবে বিয়ে করলেও এক নারী অন্য নারীর সঙ্গে যৌনতাই লিপ্ত হন না কখনো। কোন বিধবা নারী অথবা যে নারী সন্তান নেই এমন কোন নারীরা যদি ইচ্ছা করেন তাহলে বয়সের ছোট অন্য কোন নারীকে বিয়ে করতে পারেন।। যদি ছোট বয়সের নারী নিজে অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে চান সেটিও করতে পারেন নির্দ্বিধায়। বর্তমানে যে নিয়মের বেড়াজালে জড়িয়ে রয়েছেন বহু মানুষ এই নিয়মকে বহুদিন আগে ত্যাগ করে সামনে এগিয়ে গেছেন তানজানিয়ার গ্রামের এই আদিবাসীরা।