এবার দুটি বন্য চিতা বাঘের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠলো ধূপগুড়ির দুরামারি এলাকার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে

13
এবার দুটি বন্য চিতা বাঘের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠলো ধূপগুড়ির দুরামারি এলাকার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে

ধূপগুড়ির দুরামারির উত্তর শালবাড়ির বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে দুটি বন্য চিতা বাঘের উপর জঘন্য অত্যাচার চালানোর মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। দুটি চিতাবাঘের মধ্যে একটিকে জীবন্ত অবস্থাতেই বাঁশের সঙ্গে বেঁধে দেয় গ্রামবাসীরা। অপর আরেকটি চিতাবাঘের শরীরে লাঠির আঘাত করা হয়। দুটি চিতাবাঘকেই উদ্ধার করেছেন বন দফতরের কর্মীরা। এমন ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ বন দপ্তরের কর্মী এবং পরিবেশ প্রেমীরা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে এলাকায় একটি ছোট চিতাবাঘকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরপর গ্রামবাসিরা তাকে ধরে তার হাত-পা বেঁধে বাঁশের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। বাঁশে বাঁধা জীবন্ত চিতাবাঘ দেখার জন্য এলাকাবাসীরা ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। সেই সময়ে ঝোপের আড়াল থেকে আরও একটি চিতাবাঘ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

গ্রামবাসীরা তাকেও তারা করেন। তাকে লাঠির আঘাত করা হয়, যার ফলে সেটি আবার ঝোপের আড়ালেই লুকিয়ে পড়ে। এরপরেই বন দপ্তরের কাছে খবর পৌঁছায়। বন দফতরের কর্মীরা বাঁশে বাঁধা এসে জীবন্ত চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করেন এবং তার সঙ্গে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চিতা বাঘটিকেও ঘুমপাড়ানি গুলি ব্যবহার করে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।

বন দফতরের কর্মীরা জানাচ্ছেন, যে বাঘটিকে বাঁশের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল তার শরীরে নির্যাতনের বহু চিহ্ন মিলেছে। পাশাপাশি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চিতাবাঘের পায়ে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে ওই দুটি পূর্ণ বয়স্ক চিতাবাঘকে উদ্ধার করে লাটাগুড়ির প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই দুটি বাঘের মধ্যে একটি পুরুষ এবং অপরটি মহিলা বাঘ বলেই জানানো হয়েছে।