রিমোট-কন্ট্রোলড ‘সাইবর্গ কক্রোচ’ আবিষ্কার

13
রিমোট-কন্ট্রোলড 'সাইবর্গ কক্রোচ' আবিষ্কার

কোনো পোকামাকড়কে কি কন্ট্রোল করা যায়? বা তাকে দিয়ে কোনো কাজ করানো যায়? উত্তরটা অবশ্যই হবে না যায় না। কিন্তু সম্প্রতি এনপিজে ফ্লেক্সিবল ইলেকট্রনিক্স’ নামের একটি জার্নালের একটি পেপারে প্রকাশিত হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল একটি রিমোট-কন্ট্রেোলড ‘সাইবর্গ কক্রোচ’ আবিষ্কার করেছে। এটার সঙ্গে থাকবে ছোট্ট একটি ‘ওয়্যারলেস কন্ট্রোল মডিউল’।

এটা এমন ভাবেই বানানো হয়েছে যে এটা যে একটি কৃত্রিম আরশোলা মনেই হচ্ছে না। এই কৃত্রিম পোকাটির ভিতরে থাকবে রিচার্জেবল ব্যাটারি। যাতে সোলার সেল যুক্ত থাকবে। এর ফলে এর চার্জ কখনও ফুরোবে না। নিরন্তর শক্তির প্রবাহ চলতেই থাকবে। চারপাশের পরিবেশকে বুঝে নিতে এই ছোট্ট যন্ত্রটির কোনও বিকল্প নেই। সাধারণত এরকম অনেক জায়গায়ই আছে যেখানে মানুষজন ঢুকতে পারে না বিষাক্ত পোকা মাকড়ের কারণে। সেখানে এরকম একটা কৃত্রিম পোকাকে যদি ঢোকানো যায় তাহলে যা যা জানার প্রয়োজন সবই জানা যাবে। মূলত এই উদ্দেশেই বানানো হয়েছে এই আরশোলা।

এমনকি মাদাগাস্কারের অরিজিনাল আরশোলা নিয়েও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের শরীরে ওই যন্ত্রটি বসিয়ে দেওয়া হয়। তবে তাতে এদের কোনও অসুবিধা হয়নি। এরা নিশ্চিন্তেই ঘুরে বেরিয়েছে ওই যন্ত্র বয়ে নিয়ে। আর এমন একটি ডিভাইসই বিজ্ঞানীরা তৈরি করতে চাইছেন, যেটা আংশিক যন্ত্র, আংশিক জীবন্ত পতঙ্গ। অর্থাৎ, পোকাটাই যন্ত্রটি বহন করবে। আর সেই পোকা-যন্ত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গতি-প্রকৃতি বুঝে নেবেন সেই যন্ত্রের পরিচালক।
বর্তমানে আরশোলার ওপর রিসার্চ করা হলেও পরে অন্যান্য পতঙ্গের ওপর ট্রায়াল করা হবে বলেও জানা গেছে ওই জার্নাল মারফত।