বিয়ে করতে অনীহা! কিন্তু কেন? জানুন কিছু কারন

9
বিয়ে করতে অনীহা! কিন্তু কেন? জানুন কিছু কারন

বিবাহ জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুটি মানুষ শুধু নয় বিবাহিত দ্বারা মিলিত হয় দুটো পরিবার। তবে আমাদের সমাজে যত এগিয়ে যাচ্ছে তত বিবাহ থেকে দূরে চলে যাচ্ছে ছেলেমেয়েরা। কিছু বছর আগেও যেখানে ছেলেমেয়েরা একটু বড় হলেই মা-বাবা তাদের বিয়ে নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে দিতেন, সেই মেন্টালিটি এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে। উপরন্তু ছেলেমেয়েরাও এখন হয়েছে অনেক বেশি আত্মনির্ভর। তাই বিবাহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও বিবাহ যে জীবনের এক এবং অদ্বিতীয় কোন অংশ নয় তা কিন্তু এখন চিন্তা ভাবনা করতে শুরু করেছেন মানুষেরা।

আজকের প্রজন্ম কেন বিবাহ থেকে দূরে থাকতে চায় তা নিয়ে আলোচনা করব। প্রথমেই আসি ক্যারিয়ারের কথায়, ছেলে এবং মেয়েরা উভয়ই নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এতটাই সচেতন হোন যে তার আগে কোনো ভাবেই বিয়ে করতে রাজি থাকেন না তারা। নিজের জীবন গুছিয়ে নিয়ে তারপরে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে চান প্রত্যেক ছেলে মেয়ে।

এছাড়াও রয়েছে কিছু পূর্বঅভিজ্ঞতার স্মৃতি। অনেকেই আছেন যারা অন্য কারোর বিবাহ বিচ্ছেদের কাহিনী দেখে সেই পথে আর হাঁটতে চান না। তারা মনে করেন যে বিয়ে করে লোক হাসানোর থেকে অনেক ভালো বিয়ে না করা।

অনেকেই আবার সারা জীবন একা স্বাধীন ভাবে কাটিয়ে দিতে চান। সারাজীবন একজনের সঙ্গে কাটাতে হবে এমন চিন্তা ধারা অনেকেই পোষণ করেন না। স্থায়ী সঙ্গীর বদরী অস্থায়ী বন্ধুদের অনেকেই পছন্দ করেন তাই নিয়ম নীতির মধ্যে বাধা করতে চান না অনেকেই।

অনেকেই ভাবেন যে জীবনে আগে নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে বাড়ি গাড়ি করতে হবে। তার আগে অন্য কারোর দায়িত্ব নিতে তারা থাকেন নারাজ। ফলে সঠিক সময়ের আগে বিয়ে থেকে দূরে থাকতেই ভালোবাসেন এনারা।

সবশেষে থাকে বিয়ের খরচ। আমাদের সমাজে বিয়ে করতে রীতিমতো কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে যায় একটি পরিবারের। অনেকেই আছেন যারা এত বিলাসবহুল ভাবে খরচ করতে চান না। আবার বিয়ে করার পর যদি ডিভোর্স হয়ে যায় তাহলে স্ত্রী এবং সন্তানের খোরপোষের খরচা দিতে হবে, এই সাত পাঁচ কথা ভেবে বিয়ে থেকে সরে থাকেন অনেক মানুষ।