প্রতি অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে বিরত থাকুন এই ৭ টি কাজ থেকে! নাহলে পড়বেন সংকটে

12
প্রতি অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে বিরত থাকুন এই ৭ টি কাজ থেকে! নাহলে পড়বেন সংকটে

হিন্দু শাস্ত্র মতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হল অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা। শুভ এবং অশুভ র সঙ্গে এই দুইদিন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত। হিন্দু ধর্ম মতে অবশ্য তিথি নিয়ে নানা ধরনের প্রচলিত রীতি নীতি রয়েছে মানুষের মধ্যে। এই সমস্ত রীতি কিছু অঞ্চল বা প্রদেশ হিসাবে আলাদা হয়। আবার কিছু নিয়ম রয়েছে, যা সমগ্র বিশ্বেই এক ভাবে মেনে চলা হয়। আজকে আসুন জেনে নিন, এমন কিছু নিয়মের কথা, যা প্রতি অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে মেনে চলতে হয় মানুষকে।

১) চুল এবং নখ কে তন্ত্র মতে শরীরের নদীর অংশ বলে মনে করা হয়। পূর্ণিমার দিন যেহেতু জীবন-প্রবাহ খুবই উচ্চ পর্যায়ে থাকে, তাই মনে করা হয় যে পূর্ণিমার দিন চুল কাটতে নেই, অপরদিকে অমাবস্যার দিন যেহেতু মানুষের জীবন খুবই নিম্নমুখী পর্যায়ে থাকে, তাই সেদিন নখ কাটা উচিত নয়। তন্ত্র শাস্ত্র মতে, অমাবস্যা তিথিতে নখ এবং চুল মারন উচাটনে ব্যবহার করা হয়।

২) অমাবস্যা তিথিতে অশুভ শক্তির প্রভাব প্রচন্ড পরিমানে বেড়ে যায়।এই অশুভ শক্তির প্রভাব কটানোর জন্য বাড়ির মূল দরজার সামনে দুটি তিলের তেলের প্রদীপ জ্বালাতে হয় প্রত্যেক মানুষকে। এই প্রদীপ জ্বালানোর ফলে বাড়ি থেকে সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ হয়।

৩) পূর্ণিমার দিনের মতো অমাবস্যার দিন ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে রাখতে হয়। বাড়িতে কোন রকম যাতে এঁটো বাসন না থাকে, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হয়।ঘরদোর ভালো করে মুছে নিয়ে চৌকাঠ ভাল করে ধুতে হয়।

৪) অমাবস্যার দিন খুব বেশি দূরে যাত্রা করা উচিত নয়। মধ্যযুগে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অমাবস্যায় দূর দেশের কাজ গুলি বন্ধ করে রাখা হতো।

৫) ভালোবাসা দিন আমিষ খাবার বর্জন করা উচিত বলে অনেকে মনে করেন। অনেকেই পূর্ণিমা এবং ভালোবাসা দিন উপোস করেন। পুরোপুরি উপোস না করলেও অনেকে এই দিন আমিষ খাবার বর্জন করে নিরামিষ আহার গ্রহণ করেন।

৬) ভালোবাসার দিন ভগবানের আরাধনা করা উচিত। নিতান্তই মন্দিরে যেতে না পারলে বাড়িতে বসে ভগবানের আরাধনা করুন।

৭) হিন্দু শাস্ত্র মতে, অমাবস্যা তিথিতে কোনভাবে গর্ভধারণ করা অশুভ। অমাবস্যা তিথি ছাড়াও চতুর্থ,ষষ্ঠ এবং অষ্টম চতুর্দশী পূর্ণিমা তিথিতে গর্ভধারণ অশুভ বলে মনে করা হয়।