মা’কে হারানোর পরদিনই মাঠে অবতীর্ণ হলেন প্রিয়া মুনিয়া

14
মা'কে হারানোর পরদিনই মাঠে অবতীর্ণ হলেন প্রিয়া মুনিয়া

কাজের ক্ষেত্রে এমন অনেক সময় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাংসারিক কষ্ট বুকে নিয়ে হাসির চরিত্রে অভিনয় করে যেতে হয়। এই যন্ত্রণা আমরা যারা দর্শক তারা হয়তো বুঝতে পারিনা। ঠিক এমনই একটি ঘটনা ঘটে গেল প্রিয়া মুনিয়ার জীবনে। একদিনের বেশী সময় হয়নি মহামারী নিয়ে নিয়েছে তার মাকে। স্বাভাবিকভাবেই জীবনের সবথেকে কঠিনতম সময় এটি। কিন্তু তার পাশেই রয়েছে তার কাঁধে দেশের দায়িত্ব। যেটা নিয়ে ছেলেখেলা করা যায় না।

কিছুদিনের মধ্যে ইংল্যান্ডে উঠে যাবার কথা ভারতীয় পুরুষ এবং মহিলা ক্রিকেট দলের। তার আগে করোনার পরীক্ষা করার জন্য যেতে হবে যথাস্থানে। আজ সেই সুরক্ষা বলয় ঢুকে পড়লেন প্রিয়া। বাবা সুরেন্দ্র জানিয়েছেন যে, মাকে হারানোর পর জাতীয় দলের ক্রিকেটার খুবই ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু তবুও মনের জোর খাটাতে দেয়নি সে।

বিরাট কোহলির উদাহরণ টেনে এনে একমাত্র মেয়ের মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করেছে বাবা। সাথে যোগ দিয়েছে মেয়েও। সত্যি তার মানসিক জোর কে স্যালুট না করে উপায় নেই।

অপরদিকে ভারতীয় মহিলা দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বেদা কৃষ্ণমূর্তির জীবনেও ঘটে গেল একই রকম ঘটনা। মাত্র 14 দিনের ব্যবধানে নিজের মা এবং দিদিকে হারিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার প্রিয়া পুনিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বাবা-মায়ের একাধিক ছবি পোস্ট করে জানান তার মায়ের চলে যাবার কথা। আবেগঘন বার্তায় তিনি লিখেছেন, আজ আমি উপলব্ধি করতে পারছি কেন তুমি বারবার আমায় শক্ত থাকতে বলতে। একদিন তোমাকে হারানোর ব্যথা যাতে সহ্য করতে পারি তার জন্য তুমি আমায় তৈরি থাকতে বলতে। তোমাকে খুব মিস করবো মা। যেখানেই থাকো ভালো থাকো এই কামনাই করি। জীবনের কিছু সত্য মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তাও আমাদের সব কিছু মেনে নিতে হয়।

বলাই বাহুল্য, প্রিয়া ভারতের হয়ে ৭ টি একদিনের ম্যাচ খেলে ২২৫ রান করেছেন। দুটি অর্ধশতরান রয়েছে তাঁর। আসন্ন ইংল্যান্ড সফরে দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফর্ম করতে চান।