বুস্টার ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অনীহা, গুদামে পরে নষ্ট ১০ কোটি টিকা

6
বুস্টার ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অনীহা, গুদামে পরে নষ্ট ১০ কোটি টিকা

একটা সময় টিকার অভাবে মানুষ টিকা গ্রহণ করতে পারে নি। যার কারণে টিকা প্রস্তুত কারী সংস্থা সেরাম ইন্সটিটিউটকে অনেক প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছে। কিন্তু গুদামে পরে রয়েছে কোটি কোটি কোভিশিল্ড, যা ইতিমধ্যেই এক্সপায়ার হয়ে গেছে, আর কিছু টিকা এক্সপায়ার হওয়ার মুখে। ইতিমধ্যেই টিকার চাহিদা কমে গেছে, যার কারণে হাজার লাখ নয় একেবার্বে ১০ কোটি টিকা ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে প্রস্তুতকারী সংস্থা।

গত বৃহস্পতিবার সিইও আদর পুণাওয়ালা এই কথা জানিয়েছেন। গত বছর ডিসেম্বর থেকেই টিকা উতপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে বুস্টার ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অনীহা। যেটা বাক্স বন্দি টিকা নষ্ট হওয়ার মূল কারণ। ইতিমধ্যেই বহু সংখ্যার টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, যা ফেলে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

গতকাল বৃহস্পতিবার আদর পুণাওয়ালা পুণের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেখানেই তিনি জানিয়েছেন ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে কোভিশিল্ডের উতপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়ে আগ্রহী নয়। তারা কোভিড নিয়ে বিরক্ত সত্যি বলতে আমিও বিরক্ত, কারণ ইতিমধ্যেই ১০ কোটি ডোজ নষ্ট হয়ে গেছে।

২০২০ সালের প্রথম থেকেই ভারতে থাবা বসিয়েছিল কোভিড ১৯, তারপরে সেটা ধীরেধীরে অতিমারীর রুপ ধারণ করেছিল। বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল সেই থাবায়। সমস্ত দিক বিচার করে মানুষকে বাঁচানোর একটাই উপায় ছিল সেটা হল টিকা। আর সেখানেই হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল সেরাম ইন্সটিটিউট। তারাই প্রথম কোভিশিল্ড টিকা বানিয়েছিল ও সারা দেশে এমনকি বিদেশে পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল সেই টিকা। কিন্তু এখন মানুষের টিকার প্রতি অনীহা দেখা গেছে, যেটাই মূল কারণ এই টিকা নষ্ট হওয়ার।