মেট্রোর দ্বিতীয় দিনেও একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হন যাত্রীরা

4
মেট্রোর দ্বিতীয় দিনেও একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হন যাত্রীরা

কলকাতার বুকে মেট্রো তে চাপার অভিজ্ঞতা সকলেই কম বেশি রয়েছে। পুজোর সময় দরজা খুলতে না খুলতেই হুড়মুড়িয়ে ছুটে পড়া মানুষের ভিড়, একের পর এক স্টেশনে বসার জন্য ধস্তাধস্তি করা, কখনো মেট্রোতে যুবক যুবতীর প্রেম নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় তো কখনো আত্মহত্যা নিয়ে। প্রায়শই খবরে শিরোনামে দেখতে পাওয়া যায় কলকাতার মেট্রো কে। তবে চলতি বছরে যেন সব কিছুই বদলে গেছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মেটাতে চলাচল করছেন যাত্রীরা। গতকাল শুরু হয়ে গেছে কলকাতার বুকে মেট্রো চলাচল। তবে দ্বিতীয় দিনে অফিস টাইমে যাত্রীদের ভিড় প্রথম দিনের তুলনায় একটু বেশি ছিল। তবু সমস্ত নিয়ম বিধি মেনে মেট্রোতে চলাচল করছেন সকলে। বেশি ভিড় থাকলেও উঠছেন না কেউ। সময় হাতে করে বের হচ্ছেন সকলে। প্রয়োজনে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে রাজি আছেন প্রত্যেকে।

তবে কালকের তুলনায় আজ কিছু যাত্রীকে ই পাস সংগ্রহ করতে সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। ই পাসের বুকিং ফুল হয়ে যাওয়ায় অনেক যাত্রী তা না পেয়ে ফেরত চলে যান। মেট্রো তে চরার জন্য অসংখ্য যাত্রীদের কাছে ডাউনলোড করার মতো উপযুক্ত মোবাইল ছিল না। ছিল না সে রকম হাই স্পিড ইন্টারনেট। আবার অনেকের কাছে আধুনিক ফোন থাকা সত্ত্বেও তারা মেট্রোতে নিয়মিত যাত্রা করেন না বলে স্মার্ট কার্ড করার নেই। আবার যাদের খুবই প্রয়োজন তারা স্টেশনে এসে অন্যের সাহায্যে ডাউনলোড করতে গিয়ে দেখেন মেট্রোর সার্ভার ডাউন।

সব মিলিয়ে রীতিমতো মেট্রোতে চড়তে যে খুবই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে যাত্রীদের তা বলাই বাহুল্য। গত বছর পর্যন্ত এতটা কালঘাম ছুটবে সেটা বোধহয় কেউ বুঝতে পারেনি। প্রথম থেকে জানানো হয়েছিল যাঁদের স্মার্ট কার্ড আছে কিন্তু ব্যালেন্স নেই তারা মেট্রো স্টেশনের কাউন্টারে এসে তাদের কার্ড রিচার্জ করতে পারবেন। তবে একদিন যেতে না যেতেই বোঝা গেল যে নতুন পদ্ধতিতে মেট্রো চালানোটা আসলে কতটা কঠিন।