ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিতাভ বচ্চন

15
ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিতাভ বচ্চন

বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী দের নিয়ে কথা বললে যাঁর কথা না বললেই নয় তিনি হলেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। উনিশ শতকে সমগ্র বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। তাঁর একের পর এক হিট ছবি আমাদের সকলেরই খুব প্রিয়। ‘ দেবদাস’ থেকে শুরু করে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ চোখের বালি ‘ দর্শক তাঁর ব্যাপারে সব সময় প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

এই অভিনেত্রী ২০০৭ সালে বিয়ে করেন অমিতাভ বচ্চন পুত্র অভিষেক বচ্চনকে। টরেন্টোয় ‘গুরু’র প্রিমিয়ারের পর অভিনেত্রীকে প্রেম প্রস্তাব দেন অভিষেক। সেই বছরই সাত পাকে বাঁধা পড়েন দু’জনে। অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন বচ্চন পরিবারের বৌমা।

বচ্চন পরিবার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পরিবার। এখনও পর্যন্ত বচ্চন পরিবারে মোট ৬টি পদ্মপুরস্কার রয়েছে। অমিতাভ বচ্চন ১৯৮৪ সালে পদ্মশ্রী পেয়েছিলেন। ২০০১ সালে পান পদ্মভূষণ। ১৯৭৬ সালে তাঁর পিতা, কবি হরিবংশ রায় বচ্চন পদ্মভূষণ পান। ১৯৯২ সালে অমিতাভ ঘরণী জয়া পদ্মশ্রী পেয়েছিলেন। এর পরই ঐশ্বর্য রাই বচ্চন বিনোদন দুনিয়ায় অবদানের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক বিশেষ সম্মানের ভূষিত হয়েছেন অ্যাশ।

২০০৯ সালে ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন ঐশ্বর্য। তাঁর পরে আবার অমিতাভ বচ্চন ২০১৫ সালে পদ্মভূষণ পান। হিসেব মত দেখলে অভিষেক বচ্চন বাদে তাদের পরিবারে সকলেই জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের এই সাফল্যে তাঁর দুই পরিবার ই খুশি বলেই জানিয়েছেন তিনি। তাকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, পদ্মশ্রী পাওয়া পেশাগতভাবে এক দারুণ অনুভূতি। তিনি জানান পরিচিত মানুষরা বলছেন, ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে কম বয়সী মানুষ হিসেবে এই পুরস্কার পেল সে। আমি এই জন্য আমার মা-বাবার কাছে প্রচণ্ড ঋণী। যখন আমার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বলেছিলেন, পরিবারের পঞ্চম পদ্মপুরস্কার প্রাপককে স্বাগত জানান, সেই মুহূর্তটি খুব বিশেষ ছিল’।