সংক্রমণ কিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, তা পাকিস্তানকে দেখে শেখা উচিত, দাবী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের

8
সংক্রমণ কিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, তা পাকিস্তানকে দেখে শেখা উচিত, দাবী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের

“করোনা মহামারীর সংক্রমণ কিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, তা পাকিস্তানকে দেখে শেখা উচিত বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির”, সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই দাবি করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়াসুস। মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই “করোনা নিয়ন্ত্রণে” এনে বিশ্বে তাক লাগিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। তাই একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে, পাকিস্তানের এই সফলতার ভূয়ষী প্রশংসা করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান।

টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়াসুসের দাবি, পাকিস্তানের এই সফলতার পেছনে রয়েছে সে দেশের উন্নত গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা পরিকাঠামো। পোলিও রোগ মোকাবিলা করার জন্য পাকিস্তান যে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী দল গড়ে তুলেছিল, তারাই এই যুদ্ধের মূল যোদ্ধা। বাড়ি বাড়ি ঘুরে তারা সেদেশের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের উপর নজর রেখেছেন। ক্রমাগত কনট্র্যাক্ট ট্রেসিং এবং যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে তারা সফলতার সঙ্গে করোনা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

উল্লেখ্য, প্রথমদিকে পাকিস্তানের করোনা পরিস্থিতিও অন্যান্য দেশের মতোই ছিল। প্রথমদিকে হু হু করে সংক্রমণ বাড়ছিল পাকিস্তানে। পাকিস্তানের মতো দেশ যেখানে স্বাস্থ্য খাতে অত্যন্ত কম বরাদ্দ করে সে দেশের প্রশাসন, সেই দেশে যদি করোনার মতো মহামারী ছড়িয়ে পড়ে তাহলে তার মোকাবিলা করার জন্য কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন পাক প্রধানমন্ত্রী, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সেদেশের বাসিন্দারা।

তারই মধ্যে আবার, লকডাউন তুলে দেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তবু্ও ভারতে যেখানে প্রতিদিন এক লাখের কাছাকাছি মানুষ করোনা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, সে জায়গায় পাকিস্তানে এ পর্যন্ত মাত্র তিন লক্ষ পাকিস্তানি আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি প্রতিদিন গড়ে সেদেশে দশজন এরকম করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হচ্ছে। তবে, ওয়ার্ল্ড মিটারের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে এ পর্যন্ত মাত্র ৩০ লক্ষ করোনা টেস্ট হয়েছে। সেই জায়গায় ভারতে এ পর্যন্ত পাঁচ কোটিরও বেশি টেস্ট হয়েছে। তাই পাকিস্তানের এই “করোনা নিয়ন্ত্রণে” দাবি মানতে নারাজ ভারত।