পাকিস্তানকে উচিৎ শিক্ষা ভারতের, রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন থেকে বঞ্ছিত পাকিস্তান

18
পাকিস্তানকে উচিৎ শিক্ষা ভারতের, রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন থেকে বঞ্ছিত পাকিস্তান

এবার পাকিস্তানকে উচিৎ শিক্ষা দিল ভারত। কারণ এবার দেখা গেলো রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের ৪৫ তম একটি অধিবেশনে একেবারে দুরমুশ করে দিল পাকিস্তানকে, ভারত। এমনিতেই পাকিস্তানের কার্যকলাপে ভারত তিতিবিরক্ত। আর কত মেনে নেওয়া যায় তাদের অসামাজিক কাজ। তাই এবার সেই বৈঠকেই উচিৎ জবাব দিল ভারত।

আসলে পাকিস্তান একটি বিবৃতি দিয়েছিল, আর সেখানেই নয়াদিল্লির দূত জানিয়েছেন, আসলে পাকিস্তানের মুখে এই মানব অধিকারের কথা কোনোভাবেই মানায় না। আর তাদের মুখে এটা খুবই হাস্যকর। যে দেশ আসলে সন্ত্রাসের আতুড়ঘড়, তাদের মুখে মান অধিকারের লেকচার সত্যি হাস্যকর। এখানেই শেষ না আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে থাকা হিন্দু, খ্রীষ্টান এদের মতো সংখ্যা লঘুদের ওপরে যে অত্যাচার করা হয় তারপরেও এই সব কথা।

এখানেই ছেড়ে দেন নি সে, এর পরে আরও বলেছেন, আসলে পাকিস্তানের একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে এই সব বুজরুকি ও মিথ্যা সাজানো তথ্য দিয়ে ভারতকে অপদস্থ করার। এখন পাকিস্তানকে বিশ্বাস করে না কেউ। কারণ যে দেশের প্রধানমন্ত্রী গর্বের সাথে স্বীকার করে বসে যে সন্ত্রাস বাদী কার্যকলাপ চালানোর জন্য এখন জঙ্গী শিবির গুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আর এই সব কথা শোনার পরে, তাদের মুখে মানবাধিকারের কথা সত্যি হাস্যকর।

এটা নতুন কিছুই না, অনেক আগের থেকেই এই চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সক্ষ্য ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে বিশ্বের সামনে ভারতকে কোণঠাসা করার জন্য এই দু দেশ উঠে পরে লেগেছে। তবে ভারতও কি ছেড়ে দেওয়ার পাত্র। ভারতও জানে কিভাবে এর উপযুক্ত জবার দিতে হয়। এই কারণেই নয়া দিল্লির দূত সেখানে পাকিস্তান নিয়ে সমালোচনা করেছে, এটাও জানিয়েছে পাকিস্তান যে কোনোভাবেই সন্ত্রাস দমনে কোনো কাজই করছে না। এদিকে পাকিস্তান এখন লাদাখ ও জম্মু কাশ্মীরে লোক ঢোকাচ্ছে। এর ফলেই উপত্যকায় অশান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া পাকিস্তান এখন সংখ্যা লঘুদের ক্ষতম করতে নেমেছে। তাদের ওপরে অত্যাচার করছে, এমনকি তাদের ধর্মান্তরিত পর্যন্ত করা হচ্ছে। আর এই সব করার পরে মানবাধিকারের কথা বলছে পাকিস্তান।