তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে কাবুলে যাচ্ছেন পাক বিদেশমন্ত্রী! চিন্তায় ভারত

15
তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে কাবুলে যাচ্ছেন পাক বিদেশমন্ত্রী! চিন্তায় ভারত

প্রায় ৯ দিন হয়ে গেল আফগানিস্তান দখল করেছে তালিবান শাসকরা। কিন্তু এই মুহূর্তে সব থেকে বেশি চিন্তার কারণ হলো, তালিবান শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ক্রমশ হচ্ছে পাকিস্তানের সম্পর্ক। এতদিন আড়ালে-আবডালে কথা বললেও এবার সরাসরি তালিবানদের সমর্থনে কথা বলতে শোনা গেল পাকিস্তানকে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী মোহাম্মদ কুরেশি তালিবান জিহাদী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন এই রবিবার, এমনটাই জানতে পারা গেছে।

তবে বিদেশ মন্ত্রীর এই সফরের আগে আফগানিস্থানে দেখতে পাওয়া গেছে গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর প্রধান হামিদ ফইজের। কান্দাহারে তালিবান নেতা আবদুল ঘানি বরদারের সঙ্গে নামাজ পড়তে দেখা গেল তাকে। বরদার সম্ভবত হতে চলেছেন তালিবান সরকারের রাষ্ট্রপতি। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর এবং এই ছবি দিল্লির কর্তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এর মধ্যেই আবার পাক বিদেশমন্ত্রী কাবুলে উড়ে যাচ্ছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, কাবুলের সমস্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন হাক্কানী নেটওয়ার্ক। তালিবানের সবথেকে নিশংস এই জঙ্গিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক পাক গুপ্তচর সংস্থার। হাক্কানী নেটওয়ার্ক আফগানিস্তানের নিরাপত্তার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার পরেই কাবুলে পা রাখতে চলেছে মোহাম্মদ কুরেশি। তালিবান শাসনে এটাই প্রথম কোন বিদেশী অতিথি, যিনি আফগানিস্তানের যাচ্ছেন। তালিবান সরকার গঠন নিয়ে আলোচনায় বসবেন তারা।

ইতিমধ্যেই মোহাম্মদ কুরেশি চীন,রাশিয়া, বেলজিয়াম সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। এই সমস্ত বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য যে পাকিস্তানের স্বার্থে তালিবান সরকারকে সমর্থন করা তা বলাই বাহুল্য। স্বাভাবিকভাবেই আফগানিস্তানে শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বেড়ে গেছে প্রত্যেক রাষ্ট্রের মধ্যে। যেকোনো সময় চীন, পাকিস্তান, তালিবান জোট ভারতে আক্রমণ করতে পারে বলেই ধারণা সকলের। কাশ্মীরকে অশান্ত করার জন্য হিজবুল্লাহ ইতিমধ্যেই তালিবানের সাহায্য চেয়েছে। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তায় ফেলে দিয়েছে ভারতকে।