করোনা কালে বীমাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না সাধারন মানুষের! মাত্র ৬০% খরচ দিচ্ছে বীমা প্রদানকারী সংস্থাগুলি

14
করোনা কালে বীমাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না সাধারন মানুষের! মাত্র ৬০% খরচ দিচ্ছে বীমা প্রদানকারী সংস্থাগুলি

করোনাকালে সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা করানোর প্রবণতা বেড়েছে। এই কঠিন মুহূর্তে চিকিৎসা পরিষেবার খরচ পাওয়ার জন্য “করোনা কবচ”, “করোনা রক্ষক” এর মতো একাধিক বীমা প্রদান করছে বীমা প্রদানকারী সংস্থা গুলি। তবে করোনা বীমা নিয়েও কিন্তু সাধারণের লাভ খুব বেশি হচ্ছে না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বীমা থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা খরচের কেবল ৬০ শতাংশ খরচ দিচ্ছে বীমা প্রদানকারী সংস্থাগুলি। বাকি অর্থ নিজেদেরকেই বহন করতে হচ্ছে।

আসলে গত বছর করোনা পর্বে দেশের করোনা পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ ছিল না। বিনা প্রদানকারী সংস্থা গুলি তাই বর্তমান সময়ে ভয়ঙ্কর করোনা পরিস্থিতি আগাম আঁচ করতে পারেনি। বর্তমানে বিমার ক্লেমের চাহিদা এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে সেই চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হচ্ছে না বিমা সংস্থাগুলি। অনেক বিমা সংস্থা এখন বেসরকারি হাসপাতালগুলির খরচ বহন করতে চাইছে না।

ঠিক এই কারণেই বিমা করিয়েও খুব একটা লাভ হচ্ছে না। পিপিই কিট, মাস্ক, গ্লাভসের মতো একটা বড় অংশের খরচও বিমার বাইরেই থাকছে। তাই এগুলি কিনতেও গ্রাহককে নিজের পকেট থেকে খরচ করতে হচ্ছে। অনেক সময় আবার ক্যাশলেস পরিষেবাও পাচ্ছেন না গ্রাহক। কাজেই চিকিৎসার খরচ তোলার জন্য রীতিমতো ঘটিবাটি বেচার জোগাড় হয়েছে সাধারণ মানুষের।

বিগত আর্থিক বছরের শেষে অর্থাৎ গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত শুধু করোনা চিকিৎসার জন্য ৯.৯ লক্ষ স্বাস্থ্য বীমার টাকা মেটাতে হয়েছে বিমা সংস্থাকে। অর্থাৎ এই বাবদ মোট ১৪,৫৬১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বিমা প্রদানকারী সংস্থা গুলির। মাত্র ৪৪ দিনে ৮,৩৮৫ কোটি টাকা মেটাতে হয়েছে। ৪ঠা মে পর্যন্ত তার ৫৭ শতাংশ টাকা মেটাতে সক্ষম হয়েছে বিমা প্রদানকারী সংস্থা গুলি।