পোকার উপদ্রবের কারণে কমলালেবুর ফলন ভালো হয়নি বক্সার ১৩টি পাহাড়ি গ্রামে

7
পোকার উপদ্রবের কারণে কমলালেবুর ফলন ভালো হয়নি বক্সার ১৩টি পাহাড়ি গ্রামে

আলিপুরদুয়ারঃ শীতের মিঠে রোদ গায়ে মেখে সমতলের মানুষরা বেশ উপভোগও করছেন বক্সা পাহাড়ের কমলা। উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বক্সা পাহাড়ে এবার মোটামুটি ৩৯ হেক্টর জমিতে কমলালেবু চাষ হয়েছে। তবে এবারও পোকার উপদ্রবের কারণে বক্সার ১৩টি পাহাড়ি গ্রামে কমলার আশানুরূপ ফলন হয়নি।

বক্সার কমলালেবু চাষি নাদো ডুকপা বলেন, “পোকার উপদ্রবের জন্য এবারও ফলন ভালো হয়নি। তবে পোকামাকড়ের উপদ্রব বন্ধে উদ্যান পালন দপ্তর ২০১৬ সাল থেকে বক্সার মাটি পরীক্ষা করে কমলা চাষিদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেছে। চাষিদের রোগ ও পোকামাকড় সহনশীল ‘দার্জিলিং মেন্ডারিন’ প্রজাতির কমলার চারা দেওয়া হয় উদ্যানপালন দফতর থেকে। চাষিদের দেওয়া হয় সার ও প্রশিক্ষণ।

তারপর থেকেই ধীরে ধীরে তার সুফল পাচ্ছেন সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২৯০০ ফুট উচ্চতায় বক্সা পাহাড়ের কমলালেবু চাষিরা। এই বিষয়ে উদ্যানপালন দফতরের জেলা আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত বলেন, “কমলালেবুর গাছ ও ফলের প্রধান শত্রু হল জাব ও ল্যাদাপোকা। ল্যাদাপোকার হানায় কমলার গাছ এবং জাবপোকার হানায় ফল নষ্ট হয়ে যায়। এই পোকা তাড়াতে দফতর থেকে কমলালেবু চাষিদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে সহায়তা করা হচ্ছে।”

জানা গেছে, বক্সার ১৩টি গ্রাম থেকে কমলালেবু সমতলে আসতে শুরু করেছে। জেলা সদর ছাড়াও গ্রামাঞ্চলের হাটে বাজারে বক্সার কমলা বিক্রি হচ্ছে।