চিকিৎসক এবং নার্সদের চরম উদাসীনতার জেরে মৃত্যু হল এক ৩ দিনের শিশুর!

12
চিকিৎসক এবং নার্সদের চরম উদাসীনতার জেরে মৃত্যু হল এক ৩ দিনের শিশুর!

হাসপাতালের চিকিৎসক এবং নার্সদের চরম গাফিলতি এবং উদাসীনতার জেরে বিনাচিকিৎসায় মৃত্যু হল এক ৩ দিনের শিশুর! এমনই ঘটনা ঘটেছে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। হাসপাতালের অমানবিকতা এবং চূড়ান্ত গাফিলতি জেরেই ওই দুধের শিশুর এমন মর্মান্তিক পরিণতি ঘটেছে, এমনটাই দাবি করছে শিশুটির পরিবার। শিশুটি যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছে, তখনো হাসপাতালে নার্সরা মোবাইল ফোন খোঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন!

সূত্রের খবর, তিনদিন আগে এই শিশুটির জন্ম হয়। এ পর্যন্ত সে সুস্থই ছিল। তবে বুধবার সকাল ছটা নাগাদ হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুটি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ন’টা নাগাদ ভাতারের ওই হাসপাতলে শিশুটির জন্ম হয়। মা এবং শিশুর দুজনেই সুস্থ ছিল। বুধবারই তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। এদিন ওই মহিলার স্বামী হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তার শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

ওই শিশুর বাবা দাবি করছেন, বাচ্চাটির ভীষণ শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। চোখে পিচুটিও জমে ছিল। তা দেখে তিনি হাসপাতালের নার্সদের বিষয়টি জানান। হাসপাতালের নার্সরা জানান, ডাক্তারের আসতে আটটা-নয়টা বাজবে। ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নার্সারাই তাদের পরামর্শ দেন, গরম জল করে শিশুর চোখ পরিষ্কার করে দিতে। তারা নিজেরা তখন ফোন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন! এরপর সাতটার দিকে শিশুটির অবস্থার আরও অবনতি ঘটতে থাকে।

তখনো হাসপাতালের তরফ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। চোখের সামনেই একটি শিশু বিনাচিকিৎসায় প্রাণ হারালো। শিশুটির পরিবারের দাবি, সময় মত যদি অক্সিজেন কিংবা ওষুধের ব্যবস্থা করা যেত, তাহলে শিশুটির এমন পরিণতি হতো না। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভাতার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই শিশুর পরিবার।