ফের বিতর্কে নুসরাত! তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

10
ফের বিতর্কে নুসরাত! তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিতর্কের পর এবার অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠলো। লোকসভার ওয়েবসাইট এবং লোকসভায় নুসরাতের পেশ করা হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে রয়েছে প্রচুর গরমিল! তৃণমূলের তরফের এই সাংসদ লোকসভায় যে হলফনামা পেশ করেছিলেন, সেখানে উল্লেখ করা রয়েছে যে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন। এদিকে লোকসভার ওয়েবসাইট বলছে আলাদা কথা।

লোকসভার ওয়েবসাইটে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাংসদ নুসরাত জাহান বি.কম গ্রাজুয়েট! দুই জায়গায় এই দুই তথ্য প্রকাশিত হওয়াতেই কার্যত বিতর্কের মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী। স্টারপ্রেস করা হলফনামায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে ২০০৮ সালে ভবানীপুর গুজরাটি এডুকেশনাল সোসাইটি থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। সেটিই তখন তার একমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।

অভিনেত্রী সেখানে একবারের জন্যেও উল্লেখ করেননি গ্রাজুয়েশনের কথা। তাহলে লোকসভার ওয়েবসাইটে সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশে বি.কম গ্রাজুয়েট লেখা থাকে কি করে? স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে। এছাড়াও লোকসভার ওয়েবসাইটে নুসরাতকে বিবাহিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিনেত্রী এখন বলছেন যে তিনি বিবাহিত নন। তার সঙ্গে নিখিল জৈনের সম্পর্ক আইনত বৈধ ছিল না। অতএব দুই জায়গায় দুই রকম তথ্য তুলে ধরার অভিযোগ উঠছে নুসরাতের বিরুদ্ধে।

লোকসভার ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা রয়েছে যে অভিনেত্রী নিজের বিয়ের ডেট হিসেবে উল্লেখ করেছেন ১৯শে জুন, ২০১৯ তারিখটিকে। এমনকি লোকসভায় বক্তব্য পেশ করার সময় তিনি নিজেকে নুসরাত জাহান রুহি জৈন হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বভাবতই নেটদুনিয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সেদিন নুসরাত সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বলেছিলেন? সাম্প্রতিককালে তার বিবৃতি থেকে তো অন্তত তেমনটাই বোঝা যাচ্ছে।