প্রসাদে দেওয়া হয় নুডলস! জানুন কলকাতার এই চাইনিস কালী মন্দির সম্পর্কে

11
প্রসাদে দেওয়া হয় নুডলস! জানুন কলকাতার এই চাইনিস কালী মন্দির সম্পর্কে

পুজো পাঠ কি শুধুমাত্র ভারতীয়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ? না, ধারণাটি একেবারেই ভুল কারণ পাকিস্তান বা বেলুচিস্তানে একটি খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে পুজো হয়ে আসছে কালী দেবী। মন্দিরে পুজো থেকে পুজোর অনুষ্ঠান পালন করা সবটাই করে থাকেন মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষরা, সে তো অনেক দূরের কথা আমাদের কলকাতার বুকে এমন নিদর্শন রয়েছে যেখানে বৈরিতার সত্ত্বেও পুজো আরাধনায় এক হয়েছে দুই দেশ।

খাস কলকাতার বুকেই মা কালীর নিত্যপুজো করেন এক চীনা পুরোহিত। কলকাতার ট্যাংরার চায়না টাউনের কাছে চিনা কালী মন্দিরে মা কালীর মৃত্যু পুজো করে থাকেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চীনা এবং খ্রিষ্টানরা।

শতাব্দী প্রাচীন না হলেও সেই মন্দিরটির বয়স 65 বছর। কথিত আছে বহু বছর আগে এক বৌদ্ধ চীনা দম্পতির সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তখন সেই এলাকায় একটি গাছের নিচে দুটি পাথরের আর সামনে ভক্তি ভরে আরাধনা করেছিলেন এবং তাতেই সুস্থ হয়ে যায় তাঁদের সন্তান তার পর থেকে বিশ্বাসের জেরে সেখানে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন তাঁরা।

সন্ধ্যারতি থেকে পুজো সবটাই নিজে হাতে করেন কিন্তু প্রাসাদে রয়েছে চমক। এখানে নাকি মা কালীকে সুস্বাদু নুডলস ও সবই প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয়। যদিও ফল ও মিষ্টিও নিবেদন করা হয়। কিন্তু আমিষ খাবার দেওয়া হয় না। তবে হ্যাঁ কথাতেই আছে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর তাই তো ধর্মের বেড়াজাল ছিন্ন করে দুই দেশের মানুষ এক হয়েছেন দেবী শক্তির আরাধনায়।