কেনাকাটায় আর ভয় নেই! এবার থেকে হ্যান্ডলুম বেনারসিতে থাকবে কিউআর কোড

18
কেনাকাটায় আর ভয় নেই! এবার থেকে হ্যান্ডলুম বেনারসিতে থাকবে কিউআর কোড

দেখতে দেখতে আরও একবার দুর্গাপূজা এসে গেল। আর একবার মনের মধ্যে ঢাকের বাদ্য বাজতে শুরু করেছে। গত বছর থেকেই আমরা সকলেই গৃহবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি। এই বছরও পূজার ছবি খুব একটা বদলাবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে পূজোর প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে না করতে পারলেও পুজোর কেনাকাটি করতে তো কোনো মানা নেই। শাড়ি জিন্স টপ সবকিছুই কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে অনেকের। অনেকে হ্যান্ডলুম বেনারসি পড়তে ভালোবাসেন। কেনাকাটা করার সময় যদি থাকে কিউআর কোড, তাহলে তো কথাই নেই।

শাড়িতে এই কোড থাকার কথা শুনে নিশ্চয়ই চমকে গেছেন। এটা কিভাবে সম্ভব? নিশ্চয়ই সম্ভব। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষকদের দাবি, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের এটি নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের বানানো হ্যান্ডলুম বেনারসিতে থাকবে কিউআর কোড। শাড়িতে থাকবে সংস্থার লোগো এবং সিল্ক মার্ক। থাকবে প্রস্তুতকারকের নামও। কোথায় শাড়িটি তৈরি করা হচ্ছে তা উল্লেখ করা থাকবে সেখানে। শাড়ির উৎপাদনের তারিখও লেখা থাকবে সেখানে।

এবার নিশ্চয়ই ভাববেন, শাড়ির রং এবং ডিজাইন দেখে নিলে আর কোন ঝামেলায় যেতে হবে না। এই কোডের কি প্রয়োজন? তাহলে শুনুন, এই কোড চালু হবার নেপথ্যে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বর্তমানে যে কোন মানুষ শাড়ি পড়ে সেলফি তুলতে পছন্দ করেন। ফলে একই শাড়ি অনেকেরই ভালো লাগতে পারে। এই শাড়ি কিনতে গিয়ে ক্রেতারা পড়ে যান বিপত্তিতে। অনেকেই হ্যান্ডলুমের নাম করে অন্য শাড়ি বিক্রি করেন, ফলে প্রতারিত হন ক্রেতারা।

তাই সংস্থা মনে করেছেন, এই কোড ব্যবহার করলে সমস্ত ঝামেলা মিটে যাবে। কোন ঝঞ্ঝাট থাকবে না। নিঃসন্দেহে এটি একটি দারুণ উদ্যোগ সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। শাড়িতে এই কোড থাকার ফলে আপনি যে ঠকবেন না তা পুরোপুরি নিশ্চিত।