নেই কোনও সীমানা প্রাচীর, নেই উপযুক্ত জলের ব্যবস্থা, বেহাল দশা জটেশ্বর শ্মশান ঘাটের

8
নেই কোনও সীমানা প্রাচীর, নেই উপযুক্ত জলের ব্যবস্থা, বেহাল দশা জটেশ্বর শ্মশান ঘাটের

আলিপুরদুয়ার:- শ্মশানে নেই কোনও সীমানা প্রাচীর, নেই উপযুক্ত জলের ব্যবস্থাও। কয়েক বছর আগে প্রশাসনের তরফে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর শ্মশানে একটি গভীর নলকূপ বসানো হলেও, বর্তমানে এই কলটি বেহাল! ফলে সমস্যায় পড়ছেন শ্মশানে দাহকার্যে আসা মানুষ জনেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জটেশ্বর বাজার এলাকা ছাড়াও হেদায়েত নগর, আলীনগর, হাসপিতাল পাড়া, সাহাপাড়া সহ বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা শবদেহ দাহকার্যে রাত বিরাতেও জটেশ্বর শ্মশানঘাটটি ব্যাবহার করেন। যেখানে বহুদিন আগে প্রশাসনের তরফ থেকে একটি গভীর নলকূপ বসানো হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে বেহাল ওই গভীর নলকূপটির অর্ধাংশ মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে দাহকার্যে আসা মানুষ পানীয় জল না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন। তাই শ্মশান সংলগ্ন বাড়ি কিংবা দোকান থেকেই পানীয় জল আনতে হয় তাদের। স্থানীয়রা দ্রুত ওই শ্মশান ঘাটে পানীয় জলের কল ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যাবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টু হাজরা জানান,”জটেশ্বরের এই শ্মশানঘাট টির উপর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ নির্ভরশীল। শ্মশানে শবদেহ দাহকার্যে আসা মানুষকে পানীয় জলের জন্য ছুটাছুটি করতে হয় এদিক সেদিক । অথচ সেখানে পানীয় জলের জন্য বসানো গভীর কলটি বেহাল হয়ে থাকলেও নজর দিচ্ছে না কেউ। তাই শ্মশানে আসা মানুষের সুবিধার্থে অবিলম্বে পানীয় জলে ব্যাবস্থা করা দরকার।” এদিন স্থানীয় একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য সুমন দত্ত চৌধুরী জানান, “জনগণের স্বার্থে অবিলম্বে জটেশ্বর শ্মশান ঘাটে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক স্থানীয় প্রশাসন।”

এই বিষয়ে জটেশ্বর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সমরেশ পাল বলেন, “শ্মশান ঘাটের সমস্যা গুলি অতিশীগ্রই সমাধান করা হবে। শ্মশানের সীমানা প্রাচীর, নদীতে নামার সিড়ি, চুল্লীর উপর শেড সহ জলের ট্যাংক বসিয়ে রানিং জলের ব্যাবস্থা গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হবে।”