এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় বদল আনল NCTE !

10
এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় বদল আনল NCTE !

রাজ্য সরকার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে সম্প্রতি বারবার চাপের মুখে পড়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে প্রাথমিকে নিয়োগের একটি মামলায় তীব্র অস্বস্তিধে মধ্যে পড়তে হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। এবার কেন্দ্রীয় সংস্থা এনসিটিই (NCTE) প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগে একাধিক নিয়মে রদবদল আনল।

ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন জানিয়েছে, এবার থেকে স্নাতক স্তরে ৫০ শতাংশ নম্বর না থাকলেও স্নাতকোত্তর স্তরে বি. এড সহ ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকলে আবেদন করা যাবে প্রাথমিকের টেটে। অন্যদিকে, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির এডুকেশন টিচার এবং শারীরশিক্ষার শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য স্নাতকোত্তরে ৫৫ % নম্বর এবং ৩ বছরের ইন্ট্রিগ্রেটেড বি.এড- এম. এড প্রশিক্ষণ থাকলেও আবেদন করা যাবে।

ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স এডুকেশন (এনসিটিই) পশ্চিমবঙ্গে আপাতত প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত টেট নেওয়া হত, তবে এবার দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত টেট নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে। ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার ভিত্তিতে ৩১ মার্চের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয় এনসিটিই-গঠিত একটি কমিটি।

এতদিনে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পশ্চিমবঙ্গে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে (টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট) নেওয়া হয়। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত টেট নেওয়ার দায়িত্ব আছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের হাতে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত টেট নেয় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। নবম শ্রেণি থেকে টেট নেওয়া হয় না।

এসএসসি বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করে। সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এনসিটিই জানিয়েছে, নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির আওতায় দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত টেট বা কেন্দ্রীয় টেট নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আগে সেপ্টেম্বরেই প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলে বড়সড় রদবদল হয়। একসঙ্গে ২১ টি জেলার প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদে রদবদল করা হয়। একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সেকথা জানায় শিক্ষা দফতর।