পুজো পরিকল্পনা নিয়ে প্রশাসনকে পুজো কমিটি গুলির সাথে বৈঠকে বসার নির্দেশিকা পাঠালো নবান্ন

5
পুজো পরিকল্পনা নিয়ে প্রশাসনকে পুজো কমিটি গুলির সাথে বৈঠকে বসার নির্দেশিকা পাঠালো নবান্ন

আগামীকাল মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে মাতৃ আরাধনায় মেতে উঠবে আপামর বাঙালি। মহালয়ার ঠিক এক মাসের একটু বেশি সময় পরে এবার ষষ্ঠী। ফলে পুজোর ঠিক এক মাস আগে থেকেই পূজা প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। এবারে দুর্গোৎসব অন্যান্যবারের তুলনায় একটু অন্যরকম ভাবে পালন করা হবে। করোনা মহামারীর প্রকোপ পড়েছে দূর্গা পূজার আনন্দেও। অন্যান্যবারের তুলনায় এবার তাই অতটা জাঁকজমক থাকবে না।

সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে মেনে চলাটা আব্যশিক। রাজ্য সরকার চাইছে, পুজো কমিটি গুলি স্থানীয় থানার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে পুজোর সামগ্রিক পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করুক। নবান্ন সূত্রে খবর, শীঘ্রই পুজো কমিটি গুলির কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো চলেছে রাজ্য। রাজ্য পুলিশের ডিজি ইতিমধ্যেই রাজ্যের সকল পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের পুজো কমিটি গুলির সাথে বৈঠকে বসার নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, পাঁচটি পুজো কমিটির থেকে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইবে পুলিশ। যেমন, কিভাবে পূজা পরিকল্পনা করা হচ্ছে, পূজামণ্ডপ স্যানিটাইজ করার কি বন্দোবস্ত রাখা হচ্ছে,মণ্ডপে দর্শনার্থীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, অঞ্জলি দেওয়ার সময় কি কি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, এলাকায় কিভাবে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা প্রচার করা হচ্ছে সে সংক্রান্ত খুটিনাটি তথ্য জানতে চাওয়া হবে বৈঠকে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের তরফ থেকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, প্যান্ডেল গুলিতে যাতে মুক্ত বাতাস বইতে পারে সেজন্য প্যান্ডেল খোলামেলা রাখতে হবে। এতে প্যান্ডেলের মধ্যে জীবাণু আবদ্ধ অবস্থায় থাকতে পারবে না। স্থানীয় থানার সঙ্গে পূজা কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে প্রশাসন দুর্গা পূজা সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রকাশ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।