বাড়ির দেওয়ালে রহস্যময় খড়িমাটির দাগ! আতঙ্কে শহর ছাড়ছেন বাসিন্দারা

28
বাড়ির দেওয়ালে রহস্যময় খড়িমাটির দাগ! আতঙ্কে শহর ছাড়ছেন বাসিন্দারা

আলিবাবা ও চল্লিশ চোরের সেই দরজায় খড়িমাটির কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। গ্রামের প্রত্যেকটি লোকের দরজায় যখন খড়ি মাটি দিয়ে লেখা হয়েছিল, যাতে তারা খুঁজে পায় আলী বাবার বাড়ি। গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়ি একই রকম দেখতে ছিল বলে ডাকাতেরা এই কৌশল অবলম্বন করেছিল। কিন্তু এ তো গেল আরব্য রজনীর কথা। কিন্তু এই পদ্ধতি নর্দাম্পটনশায়ারের ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই খাটবে না। কারণ সেখানে কোনো রহস্যময় ব্যক্তি অথবা ডাকাত বাড়ির সামনে খড়ি মাটি দিয়ে লিখে যাবে না কোন কথা।

তবে বাড়ির দেওয়ালে না লেখা থাকলেও বেশ কয়েকটি গাড়ির দেওয়ালে খড়িমাটির দাগ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এই সমস্ত দাগ দেখেই সম্প্রতি ভয় পেয়েছে সেখানকার বাসিন্দারা। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য খোঁজ করছে।

সম্প্রতি দ্য মিরর সংবাদপত্রে প্রতিবেদন সকলের সামনে তুলে ধরেছেন সেখান থেকে জানতে পারা গেছে এই ঘটনাটি। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে গেমা স্মলবোনাস নামে একজন বৃদ্ধার কথা। এই বৃদ্ধার বাড়িতে ইলেকট্রিক অফিসের নাম করে একজন ব্যক্তি তার বাড়িতে আসেন। ওই ব্যক্তির মূল কাঁচের দরজায় এমন ভাবে লেপ্টে দাঁড়িয়েছিলেন যে, তাকে দেখে বেশ অস্বস্তি হয় ঐ বৃদ্ধার। তাই তিনি তাকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি। পরে ইলেকট্রিক অফিসের ফোন করলে তারা বলেন যে, তারা কোনো সেলসম্যান পাঠাননি তার বাড়িতে।

পরেরদিন গেমা তার বাড়ির দেওয়ালে খড়িমাটির দাগ দেখতে পান। তবে শুধুমাত্র এই বৃদ্ধা নয়, রহস্যময় ব্যক্তির পাল্লায় পড়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি। সকলেরই বাড়ির সামনে একইরকম চেহারার এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। চলে যাবার পর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে দেওয়ালে রয়েছে খড়ি মাটির একটি দাগ।

এই প্রসঙ্গে তদন্ত করতে নেমে পুলিশ জানিয়েছে যে, সিসিটিভি ফুটেজ এমন কিছু সন্দেহজনক ব্যক্তিকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যারা বেশ কয়েকদিন ওই অঞ্চলে আনাগোনা করছে। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরা যায়নি। কবে তারে দেখা পাওয়া যাবে সেই অপেক্ষায় বসে রয়েছেন তারা। পাশাপাশি এমন কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে থানায় জানানোর নির্দেশ জারি করা হয়েছে।