প্রয়াত হলেন মুকুল-পত্নী কৃষ্ণা রায়

19
প্রয়াত হলেন মুকুল-পত্নী কৃষ্ণা রায়

অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান হলো। চলে গেলেন মুকুল জায়া কৃষ্ণা রায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষমেষ মৃত্যুর কাছে পরাজয় স্বীকার করে নিলেন কৃষ্ণা রায়। বিগত কয়েকদিন ধরেই চেন্নাইয়ের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুকুল-পত্নী কৃষ্ণা। স্ত্রীয়ের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনোরকম ত্রুটি রাখেননি মুকুল রায়। তবুও শেষ রক্ষা হল না।  মঙ্গলবার সকা্বা চেন্নাইয়ের হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কৃষ্ণা।

কিছুদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে উঠলেও তার ফুসফুস মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছিল। যে কারণে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে প্রথমে ভর্তি করতে হয়েছিল কৃষ্ণাকে। সেখানে বেশ কিছুদিন একমো সাপোর্টেই রাখা হয়েছিল তাকে। তবে কৃষ্ণার ফুসফুস এমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল যে ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা ছাড়া আর উপায় ছিল না।

কৃষ্ণ রায়ের ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য তাকে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় কৃষ্ণ রায়কে চেন্নাই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। এ কদিন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই ছিলেন কৃষ্ণা। তবে মঙ্গলবার সকালে আসে সেই দুঃসংবাদ। চেন্নাইয়ের হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুকুল পত্নী কৃষ্ণা রায়।

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণা রায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকেই কার্যত মুকুলকে নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। কৃষ্ণাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরপক্ষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন বহু পরে। যা নিয়ে মুকুলের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তারপরেই কার্যত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দল পরিত্যাগ করে আবার তৃণমূল শিবিরে ফিরে আসেন মুকুল। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দরুন কলকাতাতেই রয়েছেন মুকুল। স্ত্রীর সঙ্গে চেন্নাইয়ে যাওয়া হয়ে ওঠেনি তার।