‘মা আমরা এত বড়োলোক কেন?’ ছেলের আজব প্রশ্নে হা হয়ে গেছিলেন টুইঙ্কেল খান্না

6
‘মা আমরা এত বড়োলোক কেন?’ ছেলের আজব প্রশ্নে হা হয়ে গেছিলেন টুইঙ্কেল খান্না

অক্ষয় কুমার বলিউড ইন্ডাস্ট্রির খুব কাছের মানুষ। ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর জনপ্রিয়তাও ব্যাপক। সেই কবে থেকে আজ পর্যন্ত একইরকম ভাবে চুটিয়ে কাজ করে চলেছেন অভিনেতা। বলিউডের ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রতি বছর কয়েকশো কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেয়ে থেকেন অভিনেতা। তাই অভিনেতা যে ভীষণ রকম রাজকীয় হালে জীবনযাপন করেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অক্ষয় কুমারের স্ত্রীও বিখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী তথা রাজেশ খান্নার মেয়ে টুইঙ্কেল খান্না। তাই বোঝাই যাচ্ছে টুইঙ্কেলেরও প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে।

তাদের এত টাকাপয়সা ও সম্পত্তির বহর দেখে একবার অক্ষয় কুমারের ছেলে আরভ মা টুইঙ্কেল খান্নাকে এক অদ্ভুত প্রশ্ন করে বসেছিল। কি প্রশ্ন, শুনলে হাসবেন। সে জানতে চেয়েছিল ‘মা আমরা এত বড়োলোক কেন?’ সম্প্রতি টুইক ইন্ডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে টুইঙ্কেল খান্না এসেছিলেন। সেখানেই তাঁর সন্তানের রাজকীয়ভাবে বেড়ে ওঠার গল্প বলছিলেন তিনি। আর তখনই নিজের সন্তানের এমন অদ্ভুত প্রশ্নের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেছিলেন।

আসলে বলিউডে কাজের সূত্রে কোটি কোটি টাকা রোজগারের কথা সকলেই জানে। তাই সাধারণ মানুষের ধারণা সেলেব্রিটিদের সন্তানরা রীতিমত বিলাসবহুল জীবনযাপনের মধ্যে দিয়েই বড় হয়ে ওঠে। কিন্তু বিলাসিতাই যে সবসময় সুখশান্তি আনতে পারে তা কিন্তু নয়। আরভের এক প্রশ্নেই সেটাই বুঝতে পেরেছিলেন মা টুইঙ্কেল খান্না।

অভিনেত্র্রী মতে, আরভ তখন অনেকটাই ছোট হটাৎ সে জিজ্ঞাসা করে আমরা কেন এত আরামে থাকি? বাকিদের থেকে কেন এত বেশি সুযোগ সুবিধা ভোগ করি আমরা? টুইঙ্কেল জানান, ‘রুপোর চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছ যখন, তখন তো তার যত্ন আর মর্যাদার সাথে দায়িত্বও নিতে হবে তোমাকেই। সেখানে যদি চামচ রুপোর না হয়ে প্লাস্টিকের হয় , সেটাও সামলানো তোমারই দায়িত্ব’।

এখানেই শেষ নয়, টুইঙ্কেল আরও বলেন, ‘রুপোর চামচ হোক বা প্লাস্টিকের যখন খাবার খাবে তখন সেই খাবারের ভাগ তুলে দেবে তাদের মুখে যাদের দেখার কেউ নেই!’ মায়ের থেকে এই কথাগুলি শোনার পরে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছিল আরভের মধ্যে। টুইঙ্কেল নিজেই জানান, “সেদিনের পর থেকেই আস্তে আস্তে পাল্টে গিয়েছিল আরভ। বুঝতে পেরেছিল বিলাসিতাকে কাজে লাগিয়ে অসহায় মানুষের সাহায্য করা যায় পাশে দাঁড়ানো যায়।”